শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ): চার বছর আগে একটি বাছুর কিনে পুষছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার কালুপুর গ্রামের আব্দুর রশিদ। সেই বাছুর থেকেই হয়েছে পাঁচটি গরু। অভাবের সংসার, স্বপ্ন ছিল- গরু বিক্রি করে রড-সিমেন্ট কিনে পাকা বাড়ি বানাবেন আব্দুর রশিদ। কিন্তু এক রাতেই ধুলিসাৎ হলো তার স্বপ্ন। চুরি হয়ে যায় তিলে তিলে গড়া তার সবকটি গরু।
গত ৩ জানুয়ারি গভীর রাতে তার গোয়াল ঘর থেকে চুরি হয়ে যায় ৫টি গরু। সকালে উঠে খোঁজাখুঁজি করেও গরুগুলোর কোনো সন্ধান পাননি তিনি। পরে বাধ্য হয়ে থানায় অভিযোগ করেন আব্দুর রশিদের স্ত্রী নাসিমা বেগম।
গরু চুরির ঘটনায় নিঃস্ব আব্দুর রশিদের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে। একসঙ্গে এতগুলো গরু হারিয়ে দিশেহারা পরিবারের সদস্যরা।
শুধু আব্দুর রশিদই নয় একই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গত এক সপ্তাহে আরও অন্তত পাঁচজন গরু পালনকারীর আটটি গরু চুরির অভিযোগ উঠেছে। একের পর এক চুরির ঘটনায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন গরু পালনকারীরা।
এদিকে একাধিক গরু চুরির অভিযোগ পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। চোরচক্র শনাক্তে কাজ চলছে বলেও জানিয়েছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ।
ধারাবাহিক গরু চুরিতে শিবগঞ্জের গরু পালনকারীরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। গরু পালনকারীদের জীবিকা রক্ষায় দ্রুত চোরচক্র শনাক্ত ও গরু উদ্ধারে জোরদারের দাবি এলাকাবাসীর।




