
লকডাউনের মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রশাসন ভবন চত্বরের সামনের লনে থাকা সব পাম গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।
গত তিন দিনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এসব গাছ কেটে সাবাড় করে বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে ঢুকলেই সারি সারি পাম গাছ চোখে পড়তে সবার। দৃষ্টিনন্দন গাছগুলো কেটে ফেলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
গাছ কেটে ফেলে রাখার ছবি ফেইসবুকে শেয়ার করে রাবির উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এ কে আজাদ লিখেছেন, ‘করোনা তোদেরকেও বাঁচতে দিল না!… জানি না তাদের কি অপরাধ ছিল। নাকি তারা করোনা প্রতিরোধে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বহু বছর ধরে কালের সাক্ষী এরা। আর কোনো দিন তোদের দেখা হবে না রে! ক্ষমা করিস তোরা!’
ক্যাম্পাসের কমপক্ষে ২০০টির মতো পাম গাছ কাটা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, মড়ক লাগায় গাছগুলো কাটা হয়েছে। নতুনভাবে সেখানে গাছ লাগানো হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. আনন্দ কুমার সাহা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকল্প কমিটি হটিকাল স্পেশালিস্ট ও উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞের পরামর্শে গাছগুলো কাটা হয়েছে। কারণ গাছগুলোতে মড়ক লেগেছিল। গাছ মরে যাচ্ছিল।
তিনি বলেন, এই গাছগুলোকে বলে ফিশ টেইল পাম। মোট ৩৫টি ছিল। এখন সেখানে বটল টেইল পাম লাগানো হবে। কৃষি প্রকল্পের চার-পাঁচজন গত তিন দিনে গাছগুলো কাটেন। জুন মাসেই সেখানে বটল পাম লাগানো হবে।
লকডাউনের মধ্যে কাটার বিষয়ে উপ-উপাচার্য বলেন, এখন না কাটলে গাছ রোপণের মৌসুম পার হয়ে যাচ্ছিল, তাই গাছগুলো কাটা হয়েছে।
সুত্র : দেশ রূপান্তর



