বিবিধশিরোনাম

রাডার-স্ক্যানার দিয়ে খোঁজা হবে ‘গুপ্তধন’

মিরপুরে ‘গুপ্তধন’ উদ্ধারে এবার রাডার-স্ক্যানার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। স্ক্যানার-রাডার দিয়ে আবারো সেই বাড়িতে ‘গুপ্তধন’ খোঁজার কাজ শুরু হবে। এজন্য বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের কাছে সহযোগিতা চেয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসন।
ঢাকা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মিরপুরের ওই বাড়ির কাঠামো দুর্বল, তাই সেখানে ‘গুপ্তধন’ রয়েছে কিনা তা নিশ্চিত না হয়ে খোঁড়াখুঁড়ি করা ঝুঁকিপূর্ণ। যদি স্ক্যানার মেশিন দিয়ে পরীক্ষা করার পর তা শনাক্ত করা সম্ভব হয় তবেই সেখানে আবারো খনন কাজ শুরু করা হবে।
এদিকে ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্ক্যান ও ‘গ্রাউন্ড পেনিট্রেটিং রাডার (জিপিআর)’ দিয়ে গুপ্তধনের খোঁজ করা যেতে পারে। যদি মাটির নিচে মেটাল জাতীয় কিছু থেকে থাকে তবে স্ক্যানার দিয়ে যাচাই করলেই সেটি বোঝা যাবে। আবার ‘গ্রাউন্ড পেনিট্রেটিং রাডার (জিপিআর)’ ব্যবহার করা হলে নিচে কঠিন কোনো বস্তু থাকলে সংকেত পাওয়া যাবে।
উল্লেখ্য, মিরপুর-১০ নম্বর সেকশনের সি ব্লকের ১৬ নম্বর সড়কের ১৬ নম্বর বাড়ির নিচে ‘গুপ্তধন’ আছে- এমন ধারনা থেকে ২১ জুলাই শুরু হয়েছিলো খনন কাজ।
জানা যায়, ১৪ জুলাই বাড়িটির বর্তমান মালিক দাবিদার মনিরুল আলম মিরপুর থানায় একটি জিডি করেন। এরই প্রেক্ষিতে ঢাকা জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সেখানে খনন শুরু হয়।
মিরপুর বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘১৯৭১ সালে যখন স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয় তখন এই বাড়িটা ছিল জল্লাদখানা। এই বাড়ির মূল যে অধিবাসী ছিলেন তিনি পাকিস্তানে চলে গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তারই এক আত্মীয় এসে কিছুদিন আগে আমাদের কাছে ‘গুপ্তধন’ থাকার থাকার তথ্য দেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button