রাজশাহীকে হারিয়ে শীর্ষে উঠল চট্টগ্রাম

দুই দলেরই প্লে-অফ নিশ্চিত হয়েছে আগেই। এখন শীর্ষ দুইয়ে থেকে তাদের লিগ পর্ব শেষ করার মিশন। সেই মিশনে রাজশাহী রয়্যালস ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স যখন মুখোমুখি, তখন শীর্ষে থেকে খেলতে নেমেও রাজশাহী সেভাবে পাত্তাই পেল না।
প্রথমবার ক্রিস গেইলকে নিয়ে খেলতে নেমে ৭ উইকেটের দাপুটে জয় তুলে নিল চট্টগ্রাম। রাজশাহীকে দুই নম্বরে ঠেলে উঠে এল শীর্ষে।
মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৬৬ রানের পুঁজি গড়েছিল রাজশাহী। তুলনামূলক ধীর উইকেটে লক্ষ্যটা চ্যালেঞ্জিংই ছিল। তবে লেন্ডন সিমন্সের ৫১ রানের পর ইমরুল কায়েসের অপরাজিত ৬৭ রানে দাপুটে জয়ই তুলে নিল চট্টগ্রাম।
১১ ম্যাচে ৮ জয়ে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে চট্টগ্রাম। সমান ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রাজশাহী। সিলেট পর্ব শেষে ১০ ম্যাচে দুই দলেরই পয়েন্ট ছিল সমান ১৪। তবে রান রেটে এগিয়ে থেকে শীর্ষে ছিল চট্টগ্রাম।
লিটন দাসের ফিফটি ও ফরহাদ রেজার শেষের ঝড়ে ভালো পুঁজি গড়ে রাজশাহী। ওপেনার লিটন খেলেছেন সর্বোচ্চ ৫৬ রানের ইনিংস। ৪৫ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজান তিনি। আসরে এটি তার দ্বিতীয় ফিফটি।
লিটন বাদে রাজশাহীর অন্য কারো ইনিংস এদিন তেমন বড় হয়নি। বরং খানিটা সময় বেশ ভুগেছে দলটা। আন্দ্রে রাসেল ঝড় তোলার আভাস দিয়েও ১০ বলে ২০ রান করে ফেরেন ১ চার ও ২ ছক্কায়। শোয়েব মালিক ২৪ বলে ২৮ রান করলেও ইনিংসটি ছিল কার্যকরী।
এরপর ফরহাদ রেজার শেষের ঝড়। শেষ বলে রান আউটে কাটা পড়ার আগে ৮ বলে ২১ রান করেন তিনি ১ চার ও ২ ছক্কায়। চট্টগ্রামের পক্ষে সর্বাধিক ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন রুবেল হোসেন ও জিয়াউর রহমান।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ক্রিস গেইল শুরুতেই ঝড় তুললেন। অবশ্য ঝড়টা বড় হয়নি। ১০ বলে ১ চার ও ৩ ছক্কায় ২৩ রান করে থামেন গেইল। তবে আরেক ওপেনার সিমন্স তুলে নেন ফিফটি। রান আউটে কাটা পড়ার আগে ৪৩ বলে ২ চার ও ৪ ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজান তিনি। রান আউটটাও তিনি হয়েছেন অদ্ভুত ভাবে। ক্রিজে পুরো ঢুকে পড়েছিলেন। কিন্তু বল যখন স্টাম্পে হিট করে, তখন ছিলেন শূন্যে ভেসে।
তবে ইমরুল কায়েস বাকিটা সামলেছেন। সিমন্সের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে তার ৭৭ রানের জুটি হয়েছিল। চারে নেমে মাহমুদউল্লাহ ১০ রানের বেশি করতে পারেননি। তবে চ্যাডউইক ওয়ালটনকে নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন ইমরুল। ৪১ বলে ৩ চার ও ৫ ছক্কা সাজানো ছিল তার ইনিংস। ওয়ালটন ১১ বলে ১৪ রানে অপরাজিত ছিলেন। ম্যাচসেরা হয়েছেন ইমরুল কায়েস।




