রংপুরে ১৯ ইউপিতে চেয়ারম্যান হলেন যারা # নৌকার ভরাডুবি, অস্তিত্ব সংকটে লাঙল

রংপুর ব্যুরো: রংপুরে চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে গঙ্গাচড়া ও বদরগঞ্জ উপজেলার ১৯টি ইউনিয়নের ৭টিতে নৌকা, ৩টিতে লাঙ্গল ও ৯টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।
বদরগঞ্জ উপজেলার
রাধানগর ইউনিয়নে চশমা প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিক,
গোপীনাথপুর ইউনিয়নে আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সুমন পাইকার,
রামনাথপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোটরসাইকেল প্রতীকের শওকত আলী,
দামোদরপুর ইউনিয়নে মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ আবু বকর সিদ্দিক এবং
মধুপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নুর আলম ভুট্টু।
এছাড়া গোপালপুর ইউনিয়নে ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শামসুল আলম,
কুতুবপুর ইউনিয়নে ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তাক চৌধুরী,
কালুপাড়া ইউনিয়নে আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শহিদুল হক মানিক,
বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ফিন্দউল হাসান চৌধুরী শান্ত ও
লোহানীপাড়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডলু শাহ্ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
এই উপজেলার দশটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে ৫১ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৩৩৭ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১৪১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সেখানকার ৯৩টি ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার ছিল ২ লাখ ৪ হাজার ৯৪০ জন।
অপরদিকে
গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীকে মাজহারুল ইসলাম লেবু,
লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নে জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল্লাহ্ আল হাদী,
মর্ণেয়া ইউনিয়নে মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী জিল্লুর রহমান,
গজঘণ্টা ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী লিয়াকত আলী,
বেতগাড়ী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোহাইমিন ইসলাম মারুফ,
বড়বিল ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শহীদ চৌধুরী দ্বীপ,
কোলকোন্দ ইউনিয়নে লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুর রউফ,
আলমবিদিতর ইউনিয়নে চশমা প্রতীকের স্বতন্ত্র (বিএনপি) মোকাররম হোসেন সুজন এবং
নোহালী ইউনিয়নে লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আশরাফ আলী বিজয়ী হয়েছেন।
এই উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের ১০৭টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এখানে মোট ভোটার ছিল ২ লাখ ১৭ হাজার ১৭৩ জন। উপজেলার নয়টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫০ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৩৬৬ ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১২২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
জেলার সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন বলেন, কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই দুটি উপজেলার ১৯টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে যা যা করণীয় ছিল তা করেছে প্রশাসন। এ নির্বাচনে সবকটি ইউনিয়নে ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।-




