slider

রংপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

রংপুর ব্যুরোঃ রংপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। 
আজ বুধবার সকালে বিভাগীয় প্রশাসনের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো: সাবিরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসন এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, রংপুর জেলা ইউনিট কমান্ড এর পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসক ড.চিত্রলেখা নাজনীন, রংপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু। 
এছাড়াও শ্রদ্ধা জানান, মোহাঃ আবদুল আলীম মাহমুদ বিপিএম, ডিআইজি, রংপুর রেঞ্জ, রংপুর, জনাব নুরেআলম মিনা, বিপিএম (বার), পিপিএম, পুলিশ কমিশনার, রংপুর, মো: ফেরদৌস আলী চৌধুরী, পুলিশ সুপার, রংপুর প্রমূখ। এরপর জনপ্রতিনিধিগণ, বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক সংগঠন, সাংবাদিকবৃন্দ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এদিকে, রংপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে মোমবাতি জ্বালিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়েছে। বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) রাত ১২টা ১ মিনিটে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে এই মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচি পালন করা হয়। দিবসের প্রথম প্রহরের এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাসেম বিন জুম্মন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আতিক-ঊল আলম কল্লোল, আইন সম্পাদক জিয়াউর ইসলাম জিয়া,বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সজিব প্রামানিক,স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক এরশাদুল হক রঞ্জু,উপ-দপ্তর সম্পাদক জিন্নাত হোসেন লাভলু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম সাব্বির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক তানিম আহসান চপল, যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম,রাকিবুল ইসলাম কানন প্রমুখ। 
প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরে হত্যা করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের।যাতে বাংলাদেশ জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিক্ষা, সর্বোপরি জাতি হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে। জাতিকে মেধাশূন্য করার নীলনকশা হিসেবে তারা বেছে বেছে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, দার্শনিক, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের ধরে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। তাই স্বাধীনতার পর থেকে তাদের স্মরণে ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button