যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এখন কোনো বৈঠক নয়: কিমের বোন
ওয়াশিংটন যদি তাদের মনোভাব পরিবর্তন না করে তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার এই মুহূর্তে আর কোনো বৈঠকের দরকার নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের ক্ষমতাধর বোন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দুই বছর আগে সিঙ্গাপুরে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর ২০১৯ সালের শুরুতে ভিয়েতনামের হ্যানয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বৈঠকে মিলিত হন ট্রাম্প ও উন।
তাতে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কার্যক্রম থেকে সরে আসার কার্যক্রমে দৃশ্যত কোনো উন্নতি নেই। শর্ত অনুযায়ী নিজেদের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিলে পরমাণু কার্যক্রম সীমিত করাতে রাজি হয়েছিল পিয়ংইয়ং। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা ওঠানো নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি ওয়াশিংটনের।
এদিকে চলতি সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তিনি নিশ্চিতভাবে কিমের সঙ্গে আবার বৈঠকে বসবেন। বৈঠকটি দেশ দুটির মধ্যে অচলাবস্থা নিরসনে সহায়ক হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনেকের ধারণা নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখেই উত্তর-কোরিয়া প্রসঙ্গে এসব বলছেন ট্রাম্প। আবার নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো করতে নানা ফাঁক-ফন্দি খুঁজছেন এই রিপাবলিকান প্রার্থী।
কিন্তু ট্রাম্পের সঙ্গে ফের বৈঠকের সম্ভাবনা উত্তর কোরিয়ার সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী কিম জং উনের বোন ও অন্যতম আস্থাভাজন উপদেষ্টা কিম ইয়ো জং উড়িয়ে দিয়েছেন বলে জানিয়েছে কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি।
এক বিবৃতিতে কিম ইয়ো জং বলেছেন, “ঠিক এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের বৈঠকে বসার কোনো দরকার নেই।”
অহেতুক বৈঠক হলে সেটা কারোর জন্য বিরক্তিকর দম্ভ করার উপলক্ষ হতে পারে বলে মনে করেন এই লৌহমানবী, “এটা নিশ্চিত যে, বৈঠক হলে এটাকে কেউ বিরক্তিকর গর্ব হিসেবে ব্যবহার করবে।”
পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ প্রসঙ্গে কিম ইয়ো জং জানান, এই মূহূর্তে এটা সম্ভব নয়। অপর পক্ষ উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিলেই কেবল সেটা কেবল সম্ভব হতে পারে।




