
দেশজুড়ে নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইনের বিরুদ্ধে যতই আন্দোলন গড়ে উঠুক; এ নিয়ে সরকার পিছুহটতে রাজি নয় বলে জানিয়েছেন ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি নেতা ও দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
তিনি বলেছেন, প্রতিবেশী তিন দেশ থেকে যাওয়া অমুসলিমদের ভারতের নাগরিকত্ব দিতে যা কিছু করার দরকার তা-ই করবে সরকার।
মঙ্গলবার তিনি বলেন, নাগরিক আইন সংশোধনী নিয়ে যত খুশি প্রতিবাদ হোক, পিছু হঠবে না কেন্দ্র ৷ কারও নাগরিকত্ব কাড়বে না ৷ ধর্মীয়ভাবে নিপীড়িতদের রক্ষায় আইন ৷ মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে কংগ্রেস ৷
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় দেশের নানা প্রান্তে যে অশান্তির আগুন তার জন্য বিরোধীরা কাঠগড়ায় তুলেছেন নরেন্দ্র মোদি। পাল্টা সেই নাগরিকত্ব আইনকে অস্ত্র করেই বিরোধীরা একজোট। নিশানায় মোদি সরকার।
বিজেপি বিরোধী সব দলের নেতারা রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হতে চান। তাঁরা রাষ্ট্রপতির সময়ও চান। দিল্লি পুলিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনস্থ। কংগ্রেসের অভিযোগ, কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের নির্দেশেই জামিয়া মিলিয়াতে ঢুকে ছাত্রদের মারধর করেছে পুলিশ। সুর চড়িয়েছে সিপিএমও। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন সীতারাম ইয়েচুরি।
এদিকে গত দুই দিনের মতো মঙ্গলবারও ব্যাপক সংখ্যক লোক আইনটি বাতিলের দাবিতে সড়কে নেমে আসেন।
বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সিলামপুর এলাকায় দিল্লি পুলিশের কয়েকদফা খণ্ডযুদ্ধ হয়। ঘটনার জেরে সাতটি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
এছাড়া দ্বিতীয় দিনের মতো নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বাতিলের দাবিতে রাজপথে নেমেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তার নেতৃত্বে বিক্ষোভে অংশ নেন অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তী ও নুসরাত জাহান।




