slider

যত অনিয়ম আর হয়রানির নাম সাভার আলমনগরের সেটেলমেন্ট অফিস

মোঃ নাজমুল হাসান নাজির, সাভার প্রতিনিধি : অফিস খরচের নামে ঘুষের টাকা লেনদেনে দক্ষ সেটেলমেন্ট ভারপ্রাপ্ত পেশকার সাইফুল ইসলাম ধারাবাহিকের প্রথম পর্ব যত অনিয়ম নগদ টাকা প্রকাশ্যে ঘুষ বাণিজ্য আর দূর্নীতির আরেক নাম সাভার উপজেলার আলম নগরের সেটেলমেন্ট অফিস, যেখানে সরকারি নির্ধারিত ফি এর সাথে অফিস খরচের নামে ঘুষ না দিলেই হচ্ছে না কোন কাজ, এবং বারতি টাকা দিয়েও মিলছেনা কাঙ্ক্ষিত সেবা। অফিস খরচের নামে মোটা অংকের ঘুষ না দিলে দিনের পর দিন মাসের পর মাস হয়রানির শিকার হতে হয় জমি মালিকদের,সরেজমিনে বলছেন সেবা গ্রহীতারা।

সরেজমিনে সেবা গ্রহীতারা গণ মাধ্যমকে জানান, সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে কাগজপত্র নিতে গেলে কাজের ধরন বুঝে গুনতে হয় অফিস খরচের নামে সর্বনিম্ন পাঁচশ টাকা থেকে শুরু করে হাজার হাজার টাকা। ব্যাক্তিগত মালিকানা জমি খাস কিংবা উক্ত জমির উপর সরকারি রাস্তার ম্যাপ আছে এমন অজুহাতে সেবা গ্রহীতাদের এক প্রকার ব্ল্যাকমেইলিং এর মতো ভয়ভীতি দেখিয়ে স্থানীয় দালাল চক্রের মাধ্যমে মোটা অংকের ঘুষ বানিজ্যর অভিযোগ তো অহরহ প্রতিদিনের রুটিনে পরিণত।

এসব অনিয়মের ধারাবাহিকতায় অফিস সহকারী কিংবা সার্ভেয়ার,সহকারী সার্ভেয়ার এবং কি এজলাসে’র পেশকার সহ রাজস্ব অফিসার, আপীল অফিসার, আপত্তি অফিসার এবং চুড়ান্ত অফিসারের মত বিচারক কর্মকর্তাগণও ভুলেন না তাদের ব্যাক্তিগত সার্ভিস ফি নামের ঘুষ নিতে,সেই সাথে মিষ্টি ,চা এবং বড় স্যার কে খুশি করার ফি তো আছেই।

স্থানীয় অনেক সেবা গ্রহিতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে অনুসন্ধানকালে বেশ কয়েকজন সেবা গ্রহীতারা গণ মাধ্যমকে জানান,এই সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে যত হয়রানি হয় বাংলাদেশের এমন ঘুষ বানিজ্য এবং হয়রানি কোথাও নেই বলে মনে হয়, সেবা গ্রহীতারা বলেন, এই অফিসটিতে সরকারী ফি’র বাহিরে ঘুষের টাকা ছাড়া কোন কাজই হয় না,আর ঘুষের টাকা না দিলে দিনের পর দিন আর মাসের পর মাস ঘুরতে হয় এবং চরম হয়রানির শিকার হতে হয়।

সরেজমিনে সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে সেবা নিতে আসা সেবা গ্রহিতাদের অভিযোগ এখনকার সেবাদাতা কর্মকর্তা কর্মচারীরা টাকা ছাড়া কোন কথাও বলতে চান না, মোটা অংকের টাকা না দিলে কোন পর্চা দিতে রাজি হন না। কে টাকা চেয়েছে কেন চেয়েছে জানতে চাইলে সেবা গ্রহিতারা বলেন, আমরা অভিযোগ কিংবা বলার কি দরকার সরেজমিনে আপনারা ঘুরে দেখেন এবং কাজ করার বিষয়ে কথা বলেন তখন দেখবেন তারা কি সেবা দেয়, কিভাবে দেয় সব তথ্য সহজে পেয়ে যাবেন,

অনুসন্ধানে সরেজমিনে জানা যায়, সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে অফিস খরচের নামে যত রকমের ঘুষ বানিজ্যের টাকা রফা এর ভাগ-বাটোয়ারা হয় সব কিছুর মূল হোতা ভারপ্রাপ্ত পেশকার সাইফুল ইসলাম আর তাকে অনিয়মের বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করেন উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট ও রাজস্ব অফিসার মামুনুর রশীদ ।
উপরোক্ত অভিযোগ গুলোর বিষয়ে জানতে চেয়ে ভারপ্রাপ্ত পেশকার সাইফুল ইসলাম কে তার মোবাইল ফোনে কল করলে তিনি ফোন কল রিসিভ করেননি।

সরেজমিনে তথ্য অনুসন্ধানকালে আরো জানা যায়, সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে শুধু সাইফুল ইসলাম ছাড়াও এর আগে একাধিক অফিসার উক্ত ভাগ-বাটোয়ারার দায়িত্ব পালন করছেন। তারা হলেন মোঃ রুহুল আমিন পেশকার, মোঃ মোশাররফ হোসেন পেশকার, মোঃ শফিকুল ইসলাম সহ আরও অনেকেই, আরো অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে পরের সংখ্যায় ধারাবাহিক ভাবে নিউজ অব্যাহত থাকবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button