
হাইকোর্টের বিচারপতির কাছে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করে ধরা পড়লেন ধানমন্ডির সাত মসজিদ রোডের ওষুধ বিক্রেতা। ওই ওষুধ বিক্রেতার বিরুদ্ধে মামলা হলেও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেছেন ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হেলালউদ্দিন। এ প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ আজ এক আদেশে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রেতার বিরুদ্ধে করা মামলায় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন।
জানা গেছে, গত ১১ সেপ্টেম্বর খাদ্যে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর। এরপর তিনি চিকিৎসকের পরামর্শে ওনিয়াম-৫০ কিনতে তার এমএলএসএস শুভ্র আন্থনিক্রসকে দোকানে পাঠান। ওই কর্মচারি ধানমন্ডি সাত মসজিদ রোড়ের কেয়ারি প্লাজা মার্কেটের ‘মেট্রো ফার্মা’ থেকে দুটি ট্যাবলেট কেনেন। এরপর বাসায় ফিরে ওষুধ দেয়া হয় ওই বিচারপতিকে। ওষুধ পেয়ে বিচারপতি দ্রুত একটি ট্যাবলেট সেবন করেন। কিছুক্ষন পর পেটের পীড়া আরো বেড়ে যায়। এরপর বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর অপর ট্যাবলেটটি হাতে নিয়ে দেখেন তা মেয়াদোত্তীর্ণ। এরপর তিনি ধানমন্ডি থানায় ফোন করেন। ফোন পেয়ে বিচারপতির বাসায় যান ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হেলালউদ্দিন। এ পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনা শুনে ফেরত যান। তবে পুলিশ কি ব্যবস্থা নিয়েছে সেবিষয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করতে তাকে নির্দেশ দেন বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর। তিনি পুলিশকে এবিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) অন্তর্ভূক্ত করার নির্দেশ দেন।
এ নির্দেশে বৃহস্পতিবার আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হেলালউদ্দিন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির অভিযোগে দোকানের মালিক রফিকুল্লাহ ও কর্মচারি আব্দুস সাত্তারকে আসামি করে একটি মামলা করা হয়েছে। এ প্রতিবেদন পাওয়ার পর হাইকোর্ট মামলাটি আমলে নেয়ার নির্দেশ দেন।




