খেলাশিরোনাম

মৃত্যুর আগে ম্যারাডোনাকে নিয়ে চিকিৎসকের কটূক্তি

গত বছরের ২৫শে নভেম্বর হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ৬০ বছর বয়সে মারা যান ডিয়েগো ম্যারাডোনা। সে সময়ই ম্যারাডোনার পরিবার অভিযোগ করে, মৃত্যুর আগে চিকিৎসকদের অবহেলার শিকার হয়েছিলেন ম্যারাডোনা। সেই অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে। অভিযোগের তীর ছিল ম্যারাডোনার দীর্ঘদিনের চিকিৎসক লিওপোলদো লুক এবং মনোবিদ অগাস্তিনো কোসাচভের দিকে। এরই মধ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম ‘ইনফোবে’। ম্যারাডোনার মৃত্যুর দিন কিছু খুদে বার্তা চালাচালি হয় এ দুই চিকিৎসক এবং প্যারামেডিকদের মধ্যে। সেটাই প্রকাশ করেছে ‘ইনফোবে’।
২৫শে নভেম্বর ম্যারাডোনার মৃত্যুর দিন সকালে লুক তার এক সহকর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ক্ষুদে বার্তায় লুকের সহকর্মী লেখেন, ‘মনে হচ্ছে (ম্যারাডোনা) মারা গেছে।
আমি বাজি ধরতে পারি মারাই গেছে।’ কিছুক্ষণ পর আরেক সহকর্মীর মেসেজ পান লুক। সে মেসেজে লেখা ছিল, ‘মনে হচ্ছে হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। মোটু বিছানা নোংরা করে মরবে। আমি সেখানে যাচ্ছি।’
দীর্ঘদিন মাদকাসক্ত ছিলেন ম্যারাডোনা। কিন্তু মৃত্যুর পর সর্বশেষ ময়নাতদন্তে জানা যায়, ৮৬’র বিশ্বকাপজয়ীর শরীরে অ্যালকোহলের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানা গিয়েছিল, হৃদরোগে ভুগে ম্যারাডোনা ঘুমের মধ্যে মারা গেছেন।
কিন্তু সর্বশেষ ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ধরা পড়ে, ম্যারাডোনার হৃদযন্ত্রের গতি স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল। তার ফুসফুস, কিডনি ও যকৃৎ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। মৃত্যুর আগে মানসিক নানা সমস্যার চিকিৎসা দেওয়া হয় তাকে। উদ্বেগ, হতাশা ছাড়াও অন্যান্য মানসিক ব্যাধির জন্য সাত রকম ওষুধ খাচ্ছিলেন ম্যারাডোনা, তখন জানিয়েছিল সংবাদমাধ্যম। মানবজমিন

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button