
মিডিয়া এখন ফ্যাসিবাদের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন- বিএফইউজে’র সভাপতি শওকত মাহমুদ।
তিনি বলেছেন, সরকার মিডিয়াকে নিজেদের দু:শাসনের সহযোগী হিসেবে ব্যবহার করছে। কোন কোন মিডিয়া বাধ্য হয়ে আবার অনেক মিডিয়া সহযোগিতার নামে সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। এসব মিডিয়াকে একদিন জনতার আদালতে দাঁড়াতে হবে।
বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন হলরুমে আজ বুধবার বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে ও ঢাকা সাংবাদিক সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজে আয়োজিত এক দোয়া মাহফিল ও সাংবাদিকদের ঈদ পুনর্মিলনীতে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। শওকত মাহমুদের কারামুক্তি উপলক্ষে এবং কারাবন্দী সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ও শফিক রেহমানের আরোগ্য ও মুক্তি কামনায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, নয়া দিগন্ত সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক রুহুল আমিন গাজী, বিএফইউজের মহাসচিব এম. আবদুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কবি আবদুল হাই শিকদার, ডিইউজের সাবেক সভাপতি আবদুস শহীদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বাকের হোসাইন, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একেএম মহসিন, বিএফইউজের সহকারি মহাসচিব মোদাব্বের হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: শহিদুল ইসলাম, ডিইউজের সহসভাপতি খুরশেদ আলম, যুগ্ম সম্পাদক শাহীন হাসনাত, সাংবাদিক নেতা নুরুল আমীন রোকন, আনোয়ারুল কবীর বুলু, কায়কোবাদ মিলন, শাহীন চৌধুরী, আবু ইউসুফ, রফিক মুহাম্মদ, কামার ফরিদ, বাছির জামাল, জাকির হোসেন প্রমুখ।
দোয়া পরিচালনা করেন- মাওলানা মো. আব্বাস আলী।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কারামুক্ত শওকত মাহমুদকে বিভিন্ন সংগঠন ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায়।
দোয়াপূর্ব আলোচনায় রুহুল আমিন গাজী বলেন, আইনের প্রতি বর্তমান সরকার কোনো তোয়াক্কা করছে না। দেশে ন্যায় বিচার, মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা নেই। সত্য কথা বললেই কারাগারে যেতে হয়। শওকত মাহমুদ অপরাধ না করেও দীর্ঘদিন কারাবরণ করেছে। এছাড়া অপরাধ না করেও মাহমুদুর রহমান ও শফিক রেহমান কারাবরণ করছে।
এম আবদুল্লাহ বলেন, সরকারের রক্তচক্ষুর সামনে আত্মসমর্পন করতে হচ্ছে সাংবাদিক ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে। বর্তমানে সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে সাংবাদিকদের জীবন ও জীবিকা।
শওকত মাহমুদের নেতৃত্বে কারাবন্দী সাংবাদিকদের মুক্তি ও বন্ধ গণমাধ্যম খোলার আন্দোলন আরো শানিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
কবি আবদুল হাই শিকদার বলেন, আমরা আজ দুর্যোগ কবলিত দেশে বসবাস করছি। সারাদেশ চাঁদাবাজির মহড়ায় চলছে। সরকার দেশকে পৈত্রিক সম্পত্তি হিসেবে ব্যবহার করছে। বিজ্ঞপ্তি।




