মাশরাফীর অর্থায়ন ও পরিকল্পনায় ‘সেফটি চেম্বার’
নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার ব্যক্তিগত অর্থায়ন ও পরিকল্পনায় সদর হাসপাতালের সামনে ‘ডক্টরস সেফটি চেম্বার’ চালু করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা বুধবার বিকেলে এই ‘ডক্টরস সেফটি চেম্বার’ উদ্বোধন করেন।
করোনাভাইরাস বহন করে আসা কোনো রোগীর মাধ্যমে যাতে হাসপাতালের চিকিৎসক, সেবিকা এবং স্টাফ ঝুঁকির মধ্যে না পড়েন এবং রোগীরাও যাতে সুরক্ষিত থাকে সে জন্য এ চেম্বার চালু করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ কাচ দিয়ে ঘেরা এই চেম্বারের মধ্যে চিকিৎসক অবস্থান করবেন। সামনের দুটি ছিদ্র দিয়ে গ্লাভস পরিহিত হাত বের করে রোগীর রক্তচাপ নির্ণয় করবেন এবং থার্মাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে রোগীর শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করবেন।
এ সময় কোনো রোগীর শরীরে তাপমাত্রা করোনা উপসর্গের সাথে মিলে গেলে তাকে করোনা ওয়ার্ডে পাঠানো হবে। আউটডোরে এবং জরুরি বিভাগে আসা রোগীরা এখান থেকেই সেবা নেবেন। আর যাদের ভর্তি হওয়া প্রয়োজন তাদের স্ব স্ব ওয়ার্ডে পাঠানো হবে।
তবে হাত-পা ভাঙা বা গুরুতর জখম রোগী জরুরি বিভাগে গিয়েই চিকিৎসা নেবেন। চেম্বারে স্থাপন করা সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে চিকিৎসক এবং বাইরে থাকা রোগীর মধ্যে কথোপকথন হবে।
স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে নড়াইলে গঠিত হওয়া ‘বঙ্গবন্ধু স্কোয়াড’ এর সদস্যরা। সার্বিক তত্ত্বাবধান করবে সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
‘ডক্টরস সেফটি চেম্বার’ উদ্বোধনের সময় অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন- নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম, নড়াইল সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুস শাকুর, মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার গর্বিত পিতা গোলাম মোর্ত্তজা স্বপন, সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আর.এম.ও) ডা. মশিউর রহমান বাবু, সদর থানার ওসি মো. ইলিয়াছ হোসেন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, এমপি মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা নড়াইলে করোনা মোকাবিলায় ইতিপূর্বে চিকিৎসক ও সেবিকাদের জন্য পিপিই সরবরাহ, ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম গঠন, সদর হাসপাতালে জীবাণুনাশক কক্ষ স্থাপনসহ সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করে চলেছেন।
এ ছাড়া করোনা প্রতিরোধে চায়ের দোকানি, সেলুন কর্মচারী, ক্ষুদ্র দোকানিসহ ক্ষতিগ্রস্ত দেড় হাজার দরিদ্রদের মাঝে ব্যক্তিগত অর্থায়নে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছেন।
সুত্র : দেশ রূপান্তর




