
বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার গুনবাহা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে (তহসীল অফিস) জমির ভূমি কর দিতে গিয়ে তহসীল অফিসের অফিস সহায়ক হারিসুর রহমান (হাফিজের) প্রেমের ফাঁদে পড়েন এক প্রবাসির স্ত্রী। ওই প্রবাসির স্ত্রীর দুই সন্তান। হাফিজেরও দুই সন্তান। গত ১০ জুন হাফিজ ওই গৃহবধূর কাছে থাকা জমি কিনার ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও ৬ ভরি স্বর্ণের অলংকারসহ ভাগিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওই গূহবধূর স্বামী প্রবাসি হওয়ায় গৃহবধূর দুলা ভাই শাহাবুদ্দিন সিকদার (৩৮) বোয়ালমারী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
তবে তারা গত ১০ জুন পালালেও বিয়ের কাবিন করার সময় ব্যাকডেড ২৪.৪.২০২৫ লেখা হয়।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,লাভলী পারভিন (৩০) সন্তানদের নিয়ে দক্ষিণ কামারগ্রাম ভাড়া বাসায় থাকেন। তার স্বামী প্রবাসী। সে জমির উন্নয়ন কর (খাজনা) দিতে গুনবাহা তহসিল অফিসে যায়। তহসিল অফিসের পিয়ন হারিসুর রহমান হাফিজ খাজনা নেবে নেবে বলে এবং কাগজপত্রে সমস্যা আছে বলে ঘুরাই। এরই মধ্যে ওই গৃহবধূর সকল তথ্য নিয়ে বিভিন্ন লোভ-লালসা ও তার বাচ্চাদের অপহরণের ভয়-ভীতি দেখিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে। পরে গত ১০ জুন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ওই গৃহবধূকে টাকা পয়সা স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যায়।
গত সোমবার (৩১ জুন) তাদের থানায় হাজির হওয়ার কথা থাকলেও হাফেজ থানায় হাজির না হয়ে নিজ বাড়ি শেখর ইউনিয়নের শেখপুর গ্রামে ওঠেন। এ ঘটনায় শেখপুর এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে।
লাভনী পারভীন বলেন, হাফিজ আমার ছোট ছেলেকে অপহরণ করবে বলে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রেম করতে বাধ্য করে এবং তার সাথে পালাতে বাধ্য করে।
হারিসুর রহমান হাফিজ বলেন, লাভনীর সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে সেই সূত্র ধরে তাকে নিয়ে বিয়ে করে। তবে কোন টাকা বা স্বর্ণালংকার নেয়নি।
অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মাহামুদ বলেন, হাফিজকে গত সোমবার থানায় হাজির হওয়ার কথা বলা হয়েছিল সে হাজির হয়নি।




