আন্তর্জাতিক সংবাদশিরোনাম

বিশ্বজুড়ে করোনায় মৃত ৪ হাজার ছাড়াল

বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ নতুন করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ১৬ জনে। আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ১৩ হাজারের অধিক, এর মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন সাড়ে ৬৩ হাজার মানুষ।
যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বিভাগ বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে নিয়মিত তথ্য সংরক্ষণ করছে। এ নিয়ে কাজ করছে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠান দ্য সেন্টার ফর সিস্টেম সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসএসই)।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, নিহতদের ৩ হাজারের অধিক চীনের বাসিন্দা। আক্রান্তদের ৮০ হাজার ৭৫৪ জনও দেশটির মূল ভূখণ্ডের নাগরিক। ডিসেম্বরের শেষে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে কভিড-১৯ নামে এই করোনাভাইরাসের উৎপত্তি।
এদিকে চীনের বাইরে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ঘটেছে ইতালিতে। সোমবার পর্যন্ত দেশটিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬৩ জনে দাঁড়িয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ১৭২ জন মানুষ।
করোনাভাইরাস রুখতে নেওয়া জরুরি পদক্ষেপ আরও বিস্তৃত করেছে ইতালি। সারা দেশে ভ্রমণ ও জনসমাগমে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। যদিও এর আগে উত্তর অঞ্চলের ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষের কোয়ারেন্টিনের কথা বলা হয়েছিল।
ইতিমধ্যে ফুটবল ম্যাচসহ সারা দেশে সব খেলার আয়োজন বন্ধ করা হয়েছে। ৩ এপ্রিল পর্যন্ত সব স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিমানবন্দর ও রেল স্টেশনে বিশেষ অবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ইরানেও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে করোনার সংক্রমণ। দেশটিতে মারা গেছে ২৭৩ জন। আক্রান্ত হয়েছে ৭ হাজার ১৬১ জন। দেশটির ২৩ পার্লামেন্ট সদস্যসহ অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আক্রান্ত হয়েছেন করোনাভাইরাসে। মারা গেছে সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির একজন উপদেষ্টাও।
এদিকে দক্ষিণ কোরিয়াতেও আঘাত করেছে করোনাভাইরাস। দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছে ৭ হাজার ৪৭৮ জন। মারা গেছে ৫৩ জন।
তবে আগ্রাসীভাবে বিশ্বব্যাপী একশরও বেশি দেশে ভাইরাসটির সংক্রমণ ঘটলেও আক্রান্তদের সুস্থ হয়ে উঠার হারও আশাব্যাঞ্জক।
চীনে সুস্থ হয়ে উঠেছে ৫০ হাজারেরও অধিক ব্যক্তি। ইরানে ২৩৯৪, ইতালিতে ৭২৪, দক্ষিণ কোরিয়ায় ১১৮, সিঙ্গাপুরে ৭৮, জাপানে ৭৬, স্পেনে ৩২, সিঙ্গাপুরে ৩১ জন আক্রান্ত সুস্থ হয়ে উঠেছে। ম্যাকাওতে আক্রান্ত সবাই সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরে গেছে।
এ ছাড়া জার্মানি, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, অস্ট্রেলিয়াসহ আক্রান্ত সব দেশেই পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবায় ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন রোগীরা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button