বিরোধী দল না থাকলে দেশপ্রেমিকও স্বৈরশাসক হয়-ভাসানী ফ্রন্ট

ভাসানী ফ্রন্ট আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশে যদি দেশপ্রেমিক বিরোধী দল না থাকে তাহলে একজন দেশপ্রেমিকও স্বৈরশাসক হয়ে যায়।
মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪০ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ভাসানী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মমতাজ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এবং বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের (এম-এল) সাধারণ সম্পাদক কমরেড দিলীপ বড়ুয়া।
প্রধান আলোচক ছিলেন, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পাটির (এনডিপি) চেয়ারম্যান আলমগীর মজুমদার।
সম্মানিত আলোচক ছিলেন, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান এম.এ রশীদ প্রধান, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দলের চেয়ারম্যান আবদুল মালেক চৌধুরী, এনডিপি’র মহাসচিব আলীনূর রহমান খান সাজু, স্বাধীনতা পার্টির সাধারণ সম্পাদক এ.এ.এম ফয়েজ হোসেন, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের চেয়ারম্যান এআরএম জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।
সভা পরিচালনা করেন ভাসানী ফ্রন্টের মহাসচিব অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান।
সভায় বক্তারা বলেন, জাতির স্বাধীন সার্বভৌম অস্তিত্ব আজ হুমকির মুখে। দেশপ্রেমিক নেতাকর্মীরা হতাশাগ্রস্থ। ৫ জানুয়ারির একদলীয় প্রার্থী ও ভোটারবিহীন নির্বাচন এবং নির্বাচন না মানার প্রবণতা, তিন মাস ব্যাপী জনগণের সমর্থনবিহীন আন্দোলন গুম, খুন, লুণ্ঠনসহ রাষ্ট্রীয় সম্পদ অপচয়ের মধ্য দিয়ে দেশকে এক অন্ধকার গহ্বরের দিকে ধাবিত করে বিদেশিদের জোয়ালে বেঁধে দেয়ার চক্রান্ত চলছে। দেশের এরূপ চরম দুঃসময়ে ভাসানীপন্থিরা আর নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করতে পারে না।
সভায় নেতৃবৃন্দ মিয়ানমারের আরাকানে রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপর পরিচালিত হত্যাযজ্ঞ, অমানবিক ও নৃশংস নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মুসলিম বিশ্বসহ সব মানবতাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার জোর দাবি জানান।




