
সনাতন ধর্মাবলম্বী কিশোরী স্বর্ণা দাসকে ভারতীয় বিএসএফ গুলি করে হত্যা ও ভারতের পানি আগ্রাসনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে করেছে গণঅধিকার পরিষদ (মশিউজ্জামান- ফারুক)।
শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিক্ষোভ সমাবেশ শাহবাগ জাতীয় জাদুকরের সামনে অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দ স্বর্ণা দাস হত্যা ও ভারতের পানি রাসনের প্রতিবাদে ভারতীয় পণ্য ও ভারত বর্জনের ডাক দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত মিয়া মশিউজ্জামান বলেন, ২৪-এ ছাত্রজনতার গণ অভ্যুত্থানে দেশের এক হাজার নাগরিককে হাসিনা সরকার গুলি করে হত্যা করেছে। কিন্তু মোদি সরকার ও তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করে নাই, বরং জুলাই এবং আগস্টে যা হয়েছে তা বর্ণনা করেছে পার্লামেন্ট।
ভারতীয় সীমান্তরক্ষা বাহিনী বিএসএফ কর্তৃক সনাতনী কিশোরী স্বর্ণা দাস হত্যার তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জ্ঞাপন করে তিনি বলেন, মোদি নিজেকে হিন্দুদের প্রতিনিধি দাবি করছে। হিন্দুদের জন্য দরদ দেখাচ্ছে আবার বিএসএফ দিয়ে হিন্দু কিশোরীকে হত্যা করল।
গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রহমান বলেন, ২০০০ সালের পর থেকে ভারত সীমান্তে দেড় হাজারের অধিক বাংলাদেশী নাগরিককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তারপরেও কিছু কিছু রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিগণ ভারতের সাথে বন্ধু রাখতে চান! ভারতকে নারাজ করতে চান না। তারা ভাবেন ভারত তাদের ক্ষমতায় বসাবে।
তিনি আরো বলেন, ভারত যিদি বাংলাদেশ সীমান্তে গুলি ছুঁড়ে তাহলে পাল্টা গুলি ছোড়া হবে। বাংলাদেশের নাগরিক এবার মরতে শিখেছে এবার তোমরা মরার জন্য প্রস্তুত হও। বিজিবি সেনাবাহিনীর পাশে দেশের জনগণ আছে।
বক্তব্যে অন্য বক্তারা ভারতের পানি আগ্রাসন হেতু বন্যার তীব্র নিন্দা জানান।




