বাল্য বিবাহ ও নারী নির্যাতন রোধে সচেতনতামূলক বক্তৃতামালা

সংবাদদাতা, মানিকগঞ্জ : ”আমরাই পারি বাল্য বিবাহ রোধ করতে,আরো পারি সকল প্রকার সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে” এই স্লোগানকে সামনে রেখে উন্নয়ণ গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক জেলার সিংগাইর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সচেতনতামুলক বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করছে।
তারই ধারাবাহিকতায় আজ সিংগাইর উপজেলাধীন সিংগাইর পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়,সিংগাইর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও জি জি মডেল হাই স্কুল এর অষ্টম,নবম ও দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের সাথে অত্র বিদালয়ের উদ্যমী শ্রেনী শিক্ষকদের মাধ্যমে বাল্য বিবাহ নারী নির্যাতন যৌন হয়রানি ও ইভটিজিং রোধে সচেতনতামূলক বক্তৃতামালা আয়োজিত হয়।
সিংগাইর পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, এর প্রধান শিক্ষক ও জেলা শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক জনাব মো: আক্রাম হোসাইন,সিংগাইর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মো:আতাউর রহমান ও জি জি মডেল হাই স্কুল এর প্রধান শিক্ষক জনাব মো: সহিদুল ইসলাম সরকার এর সভাপতিত্তে¡ উপরোক্ত বিষয়ের উপর বক্তৃতামালা উপস্থাপন করেন পর্যায়ক্রমে উক্ত প্রতিষ্ঠানের সহকারি প্রধান শিক্ষক মো: আরিফুল ইসলাম,মো: আব্দুর রব, সিনিয়র সহকারি শিক্ষক মো: আয়ুব মিয়া,েেমা: বাদশা,মিয়া,মো:দুলাল হোসেন, আব্দুল খালেক,ওবায়দুল ইসলাম প্রমুখ।এছারাও উপস্থিত ছিলেন বারসিক প্রোগাম অফিসার মো:নজরুল ইসলাম ও বারসিক কর্মকর্তা আছিয়া ও ইস্মিতা আক্তার
ভিন্নধর্মী এই আয়োজনে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বারসিককে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং সামাজিক সহিংসতার পাশাপাশি মাদক ও প্রযুক্তি আসক্তি দ্বারা ছেলে মেয়েরা আক্রান্ত হচ্ছে এই বিষয়েও বারসিক কে কাজ করার কথা বলেন।শিক্ষার্থীরাও বক্তৃতামালায় অংশগ্রহন করতে পেরে আনন্দিত হন। তারা বিভিন্ন বিষয়ের উপর প্রশ্ন ছুরে দেন শিক্ষকদের কাছে। শ্রেণীতে ছাত্র শিক্ষক তর্কযুদ্ধে নেমে যান এবং তারা একপর্যায়ে নির্যাতন প্রতিরোধে সমঝতায় পৌছান ও প্রত্যয় করেন যে আমরা পরিবারের মধ্যে এই বিষয়ে আলোচনা করব এবং নিজেরা নিরাপদে থাকব এবং অন্যকেও ভাল পথে আনব ছাত্র শিক্ষক এক সাথে কাজ করব। এছারাও বিদ্যালয়ের শিক্ষকমন্ডলী ও শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের সামনে একসাথে দাড়িয়ে বাল্য বিবাহ নারী নির্যাতনকে না বলেন এবং পরিবারসহ সমাজে এই বিষয়ে সচেতন করার প্রত্যয় করেন।তারা আরো বলেন আমার ছাত্র শিক্ষক অভিবাভক এক সাথে কাজ করতে পারলেই ত সমাজে নারী পুরুষের সামাজিক ন্যাযতা ফিরে আসবে এবং বহুত্ববাদি সাংস্কৃতিক চর্চা আরো বেগবান হবে।



