চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির অভিযোগে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) হাতে গ্রেফতার যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায়বিষয়ক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া (জি কে) শামীম রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বালিশ কাণ্ডের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। সেখান থেকে তার প্রতিষ্ঠান ‘জি কে গ্রুপ’ সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়। রূপপুরের গ্রিন সিটি আবাসন পল্লী নির্মাণের ব্যয় তিন হাজার কোটি টাকারও বেশি। সেখানে বড় অঙ্কের কয়েকটি কাজ জি কে শামীম নিজেই করছেন।
শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোরে রাজধানীর নিকেতনের নিজ কার্যালয় থেকে গ্রেফতার করে র্যাব। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার নানা কর্মকাণ্ডের তথ্য পাওয়া যায়।
র্যাব সূত্র জানায়, গ্রিন সিটি আবাসন পল্লী নির্মাণের প্রায় সব কাজই জিকে শামীম পান। প্রকল্পের জন্য কেনা হয় বালিশ। কিন্তু বালিশ কেনায় বড় অঙ্কের দুনীর্তির তথ্য মেলে। বালিশ নিচ থেকে ওপরে উঠানোর শ্রমিক ব্যয় ধরা হয় ৯’শ থেকে ১ হজার টাকা। এছাড়া বালিশ কেনায় বতর্মান বাজার থেকে ৩ গুণ বাড়তি টাকা নেয়া হয়। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে দেশব্যাপী আলোচনার ঝড় ওঠে। বিষয়টি তদন্ত করছে দুনীর্তি দমন কমিশন।
র্যাব হেডকোয়ার্টার সিনিয়র এএসপি মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, শামীমকে আদালতে তোলা হবে। সে বিভিন্ন সময়ে টেন্ডার ও চাঁদাবাজি এবং সরকারি টাকা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। সে বিষয়ে তদন্ত করা হবে।




