বরগুনায় তরমুজ ক্ষেতে কিংশোর গ্যাংয়ের হামলা

মাহতাবুর রহমান,বরগুনা : বরগুনা জেলার সদর উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের উরবুনিয়া নামক এলাকার ০৫ এপ্রিল বুধবার বিকেলে তরমুজ ক্ষেতে পূর্ব শত্রুতার জেরে কিশোর গ্যাং হামলা চালিয়েছে। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন ওই এলাকার আসলাম খাঁর ছেলে রহমান (২২) ও ইউসুফ (২০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ক্ষেতে সবাই তরমুজ, ডালসহ নানা ধরনের ফসল রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন। ৫ টার দিকে ১০ থেকে ১২ জনের একটি কিশোর গ্যাং একত্রিত হয়ে খুর এবং ধারালো ছুরি নিয়ে মাঠে এসে রহমান ও ইউসুফ এর উপর হামলা চালায়। এসময় তাদের চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে স্থানীয়রা ছুটে এলে পালানোর সময় জেলখানা চৌমুহনী এলাকার নজরুল ইসলাম ম্যালকারের ছেলে মেহেদী নামের একজনকে আটক করেন তারা। একজনকে ধরতে পারলেও বাকি হামলাকারিরা পালিয়ে যায়।
আহতদের বাবা আসলাম খাঁ বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জরিতদের সঠিক বিচারের দাবি জানাই প্রশাসনের কাছে।
প্রত্যক্ষদর্শী মোঃ আজবাহার বলেন, আমি পাশের তরমুজ ক্ষেতে কাজ করছিলাম। চিৎকার শুনে তাকিয়ে দেখি রহমান ও ইউসুফকে একজন খুরের মত একটা কিছু দিয়ে পোচ দিচ্ছে এবং বাকিরা মারছে। এ সময় তাদের হাতে ছুরিও ছিল। আমিসহ স্থানীয়রা এসে ওদেরকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসি।
স্থানীয়দের হাতে আটক মেহেদী জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরে তারা রহমান ও ইউসুফকে কুপিয়েছে, এসময় কামরুল ম্যালকারের ছেলে শাকিল, জব্বার আকনের ছেলে রহিম, সালাম খাঁর ছেলে অনিক, রায়েরতাভোগ গ্রামের ফেরদৌস, নয়ন সহ ১০-১২ জন হামলায় অংশ নেয় বলে জানান তিনি।
হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, রহমান ও ইউসুফ নামে দুইজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় নিয়ে আসলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আলী আহম্মেদ বলেন, ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয়রা মেহেদী নামের একজনকে আটক করে পুলিশের কাছে তুলে দিয়েছে। তবে এখনো থানায় কেউ লিখিত কোন অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে সে অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



