
ঢাকা (বাংলাদেশ) থেকে হেলিয়ান্থুস : রোজ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ৬ বিকাল ৫ টার দিকে, ফ্রান্সের জাতীয় পরিষদে অভিবাসন নীতির উপর একটি সরকারী বিবৃতি উপস্থাপন করেছে, এর জন্য অভিবাসন নীতি এবং পরবর্তী আশ্রয় ও অভিবাসন নিয়মের প্রতিক্রিয়ায় জাতীয় পরিষদে বিতর্কের (ভোট ছাড়াই) কয়েক ঘন্টা আগে, ফ্রান্সের বিখ্যাত বিখ্যাত এসোসিয়েশন Amnesty International, Solidarités Asie France (SAF), Emmaüs France, La cimade… জাতীয় পরিষদের সামনে এমপিদের, সাংবাদিকদের এবং সাধারণ জনগণকে দুপুর ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন যাতে করে তারা এসে এসোসিয়েশনগুলোর সাথে কথা বলে।
এমপিরা এসে এসোসিয়েশনগুলোর সাথে ভবিষ্যতের ফ্রান্সের অভিবাসন নিয়ম (ভাল এবং খারাপ দিক) এবং এর সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে আলোচনা করেন। এমপিরা তাদের যেসকল প্রশ্ন ছিল সংস্থানগুলোর কাছে জিজ্ঞাসা করেছে যাতে করে তারা ভালো করে উপস্থাপিত নিয়ম গুলো অভিবাসীদের ভালোর জন্য হয়।
সেখানে উপস্থিত ছিল নয়ন এনকে (Solidarités Asie France) এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রেসিডেন্ট। এই ইভেন্টে পরিচালনায় SAF সংগঠনের যেসব সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করেন তারা হলেন জুলহাস সালাউদ্দিন ইরান এবং অন্য অন্য এসোসিয়েশন ৩ বা ৪ জন্য সদস্য।
কিছু উদাহরণ যে সকল উদ্দেশ্য নিয়ে এই নতুন আইন করার প্রকল্পেনা করেছে ফ্রান্সের সরকার
– ফ্রান্সে আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়া আরও দ্রুত করা – অনিয়মিত অভিবাসীদের একটি অনুসন্ধান ফাইলে নিবন্ধিত করা
– অনিয়মিত অবস্থায় থাকা অভিবাসীদের সংখ্যা কমানোর জন্য ফ্রান্স থেকে বের হয়ে যাওয়ার আদেশ (OQTF) প্রয়োগ করা যাতে করা হয়
– ফ্রান্স থেকে চলে যাওয়ার আদেশ দেয়া (OQTF) OFPRA তে আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়ার সাথে সাথে – ফরাসি ভাষার উপর আরো জোর দেওয়া ফ্রান্সে বৈধ হওয়ার প্রক্রিয়াতে
– বৈধতা দেওয়া নির্দিষ্ট কিছু সেক্টরে কাজ করা অভিবাসীদের (কোন কোন সেক্টর সেগুলো এখনো নির্ধারিত করা হয়নি)
– ইত্যাদি…

নয়ন এনকে বক্তব্য রাখে যেখানে তিনি তুলে দরে বাংলাদেশিদের আশ্রয়ের আবেদন অটোরেজেক্ট করে দেয় অন্যান্য দেশের আশ্রয়প্রার্থীদের অনুগ্রহ করার জন্য।
তিনি আরো উল্লেখ করে বাংলাদেশিদের ভিসার জটিলতা নিয়ে যার জন্য ২৭ নভেম্বর SAF প্যারিসের রাজপথে বাংলাদেশিদের আন্দোলন করেছিল। নয়ন এনকে সব সময় চাই বাংলাদেশিদের সমস্যা গুলো ফ্রান্সের মূলধারা রাজনৈতিক বেক্তিদের কাছে পৌঁছাতে এবং এটাতে নয়ন এনকে সফলও হয়েছে।
এই অনুষ্ঠানে ফ্রান্সে অধিক এমপিরা উপস্তিত ছিল তারা বুঝতে পেরেছে এই নিয়ম বিদেশিদের জন্যে কতটা ভালো হবে আর কতটা বিদেশীদের অবস্থা আরো জটিল করে তুলবে।
এই অনুষ্ঠানের পর বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের সামনে আন্দোলন করা হয় যেখানেও নয়ন এনকে বক্তব্য রাখে ফ্রান্সের এমপিদের সামনে।
এই নিয়মগুলোর কতটা ফ্রান্সের গভর্নমেন্ট গৃহীত করে তা দেখার জন্য আমাদের ২০২৩ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এই বিষয় নিয়ে নয়ন বলেন “আমরা আমাদের কাজ চালিয়ে যাবো যাতে করে সব বিদেশির সমান অধিকার হয় এবং তারা যাতে ফ্রান্স ভালো করে জীবন যাপন করতে পারে ”




