
রাজধানীর চারটি ক্যাসিনোতে পুলিশের অভিযান চালানোর বিষয়ে যুবলীগের চেয়ারম্যানের মন্তব্যের বিষয়ে কিছু বলার নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
রাজধানীর গুলিস্তান, ফকিরাপুল ও বনানীর চারটি ক্যাসিনোতে (জুয়ার আসর) বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) অভিযান চালিয়ে সেগুলো সিলগালা করে দেয় র্যাব। আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের কিছু নেতা দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ ক্যাসিনো চালিয়ে আসছিলেন। এর মধ্যে একটি ক্যাসিনো চালাতেন আওয়ামী যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। রাতেই গুলশানের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, আপনি বলছেন, ৬০টি ক্যাসিনো আছে; আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আপনারা ৬০ জনে কি এতদিন আঙুল চুষছিলেন? তাহলে যে ৬০ জায়গায় এই ক্যাসিনো, সেই ৬০ জায়গার থানাকে অ্যারেস্ট করা হোক। সেই ৬০ থানার যে র্যাব ছিল, তাদের অ্যারেস্ট করা হোক।
এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান খান বলেন, প্রশাসন জানত কি না আমি সেটা বলছি না, আমি বলছি প্রশাসন যখনই জানছে তখনই অভিযান শুরু করেছে। আমাদের মাননীয় চেয়ারম্যান যুবলীগের, উনি হয়তো তার নিজস্ব মন্তব্য করেছেন, আমার এখানে কিছু বলার নেই।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন, আমিও দেখেছি। আমাদের নজরে যেগুলো আসছে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। আরও যারা চিন্তা-ভাবনা করেছে আমরা অ্যাকশনে যাওয়ার পর বন্ধ করেছে, এটা আমরা জানতাম। ইদানীংকালে আমরা শুনছিলাম এটা (ক্যাসিনো) না কি বেশ কয়েকটি ঢাকা শহরে হয়েছে, সেই তদন্ত ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই এটা (অভিযান) হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রশাসনের কেউ যদি এখানে জড়িত থাকেন, বা কারও বিরুদ্ধে যদি সহযোগিতার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তারা বিচারের মুখোমুখি হবেন।




