slider

প্রয়াত শিক্ষক সুরেন্দ্র মোহন রায় ছিলেন আলোর ফেরিওয়ালা

মো. নজরুল ইসলাম,মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : ”শিক্ষা কাজ মানব মুক্তিার সংগ্রাম চলছে চলবে” দিন বদলের সাহসী যোদ্ধা বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী প্রয়াত সুরেন্দ্র মোহন রায় স্মররনে দুইশতাধিক পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক শিক্ষার্র্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরন বিতরন ও তার স্মৃতিচারনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রয়াত শিক্ষক সুরেন্দ্র মোহন রায় এর মৃত্যুদিন স্মরণে তার কণিষ্ট পুত্র বিমল চন্দ্র রায় ও তাদের পরিবার সম্প্রতি মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পুটাইল ইউনিয়নের কৈতরা রাজবংশী পাড়া ও বেতিলা মিতরা ইউনিয়নের বড় বড়িয়াল মনিদাস পাড়ায় অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেন।
কৈতরা মন্দির ভিত্তিক উপানুষ্ঠিনক শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষিকা ঝর্না রানী মন্ডল ও সিংগাইর সরকারি ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী স্মৃতি মনিদাসের সভাপতিত্বে যথাক্রমে আলোচনা সভায় অংশগ্রহন করেন বিশিষ্ট সমাজ সংগঠক ও সামাজিক সাংষ্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব আ্যডভোকেট দিপক কুমার ঘোষ , একাত্তোর ঘাতক দালাল নিমূল কমিটির মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আ্যডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান,মানিকগঞ্জ আ্যসেম্বেলি অফ গড ক্রাস পাষ্টর এডওয়ার্ড জামান,বারসিক কর্মকর্তা গাজী শাহাদাত হোসেন বাদল,হিসাব ও ব্যাবস্থাপনা কর্মকর্তা নিতাই চন্দ্র দাস,ও স্যামুয়েল হাসদা।
আলোচনায় বক্তারা বলেন,শিক্ষক সুরেন্দ্র মোহন রায ছিলেন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও সাংষ্কৃতিক মান উন্নয়নের জন্য আদর্শ শিক্ষক শিক্ষক সুরেন্দ্র মোহন রায় নিজ গ্রামের শিক্ষার মান উন্নয়নে বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহন করে ছিলেন। তিনি জীবদ্দশায় পিছিয়ে পড়া মানুষের মাঝে শিক্ষার আলো প্রসারিত করতে নিরলস ভাবে কাজ করে গেছেন। তার হাত ধরেই অনেকেই আজ দেশের সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন নিজেদের প্রতিষ্ঠিত কররেছেন। একজন সুরেন্দ্র মোহন রায় সমাজ উন্নয়নের বাতিঘর।তিনি যেমন সাধারন মানুষের শিক্ষার কথা ভাবতেন সেই সাথে নিজের পরিবারের সন্তানদেরকেও শিক্ষার আলোয় আলোকিত করেছেন।তার আদর্শ ধারন করে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নয়নে আমাদের সকলেরই দায়িত্ব পালন করতে হবে। বক্তারা আরো বলেন, শিক্ষক সুরেন্দ্র মোহন রায় ভাবতেন প্রকৃত শিক্ষাই পশ্চাতপদ দৃষ্টি ভঙ্গি থেকে নারী জাতিকে মুক্তি দিতে পারে।শিক্ষক সুরেন্দ্র মোহন রায় পশ্চাতপদ দৃষ্টি ভঙ্গি থেকে নারীদের বের করে আনার চেষ্টা করেছেন।তিনি ভাবতেন মা শিক্ষিত হলে সন্তান শিক্ষিত হবে।সেই চিন্তা থেকে নারীেেদর শিক্ষিতি করে বাল্য বিবাহ মুক্ত সমাজ গড়ার পেছনে তার অগ্রণী ভুমিকা ছিল।এ প্রসঙ্গে সুরেন্দ্র মোহন রায়ের কনিষ্ট পুত্র বিমল রায় বলেন,আমার পিতার দায়িত্ববোধ থেকেই আমাদের শিক্ষা জীবন সফল ভাবে শেষ করতে পেরেছি।কিন্তু সমাজের সকলেই এই সুযোগ পায় না বলেই অনেক ক্ষেত্রে তাদের স্বপগুলো পুরন হয় না।আমরা পিতার আদর্শ ধারন করে তার শিক্ষায় অনুপ্রানিত হয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষের মধ্যে শিক্ষা গ্রহনে উৎসাহ তৈরি করতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।সকল শ্রেনী পেশার মানুষই শিক্ষার আলোয় আলোকিত হোক তৈরি হোক মানবতার শিক্ষক।পিছিয়ে পড়া জনেেগাষ্ঠীর জীবন মান উন্নয়নে আমাদের এই উদ্যোগ অব্যহত থাকবে। উল্লেখ্য শিক্ষক সুরেন্দ্র মোহন রায় ১৯৩১ সালের ১ জুন জন্মগ্রহন করেন এবং ২০১৩ সালের ৯ মার্চ মৃত্যু বরন করেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button