
পতাকা ডেস্ক: আজ ঐতিহাসিক ২৩শে মার্চ। পূর্ববঙ্গের স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে এক অনন্য স্মরণীয় দিন। ১৯৪০ সালের এই দিনে লাহোরে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ উত্থাপন করেছিলেন।
২৩ শেষ মার্চ স্মরণে বাংলাদেশ ছাত্র পক্ষ এক বিবৃতি প্রদান করেছে। বিবৃতিতে বলা হয় লাহোর প্রস্তাবের মূল ভিত্তি ছিল তৎকালীন ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলোকে নিয়ে ‘স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ’ (Independent States) গঠন করা। প্রস্তাবের এই বহুবচন শব্দটিই প্রমাণ করে যে, শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এবং তৎকালীন নেতৃবৃন্দ এই অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি পৃথক ও সার্বভৌম সত্তার স্বপ্ন দেখেছিলেন।
বাস্তবিক অর্থে, লাহোর প্রস্তাবের মধ্যেই নিহিত ছিল আমাদের আজকের স্বাধীন বাংলাদেশের মূলমন্ত্র। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তির যে আকাঙ্ক্ষা সেদিন সূচিত হয়েছিল, তারই ধারাবাহিকতায় ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি পূর্ণ স্বাধীনতা।
আজকের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে আমরা গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি সেই সময়ের দূরদর্শী রাজনৈতিক নেতৃত্ব শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হককে, যার বজ্রকণ্ঠে লাহোর প্রস্তাব ঘোষিত হয়েছিল এবং যিনি আমৃত্যু বাংলার সাধারণ মানুষের অধিকারের জন্য লড়েছেন।
এই দিনে আমরা দেশের ছাত্রসমাজ ও সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানাই-ন্যায়, সাম্য ও মানবাধিকারের ভিত্তিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হোন। ইতিহাসের শিক্ষা থেকে শক্তি নিয়ে আমরা যেন একটি উন্নত, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি।




