পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুটে অচলাবস্থা অব্যহত:যাত্রীদের চরম ভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিনিধি, মানিকগঞ্জ: পদ্মা-যমুনার তীব্র স্রোতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুটের ফেরি সার্ভিসে অচলাবস্থা অব্যহত রয়েছে। ফলে নৌ-রুটে দ্বিগুন সময় নিয়ে পারাপার করছে ফেরিগুলো। টিপ সংখ্যা কম হওয়ায় উভয় ঘাটে সৃষ্টি যানজট বেড়েই চলেছে। সেই সাথে বাড়ছে যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের ভোগান্তি। বিশেষ করে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে পারপারের অপেক্ষায় আটকেপড়া পরিবহনের নারী-শিশুরা।
রাজধানী ঢাকার সাথে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার জনসাধারণের যাতায়াতের অন্যতম পথ হল পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুট। আর এই নৌ-পথে পারাপার নির্বিঘ্ন করতে বিআইডব্লিউটিসির ফেরি বহরে রয়েছে ১৮টি ছোট-বড় ফেরি। এর মধ্যে বর্তমানে চলাচল করছে ১৩টি ফেরি। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্রোতও বেড়েছে। এতে ফেরি চলাচল আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। স্রোতের বিপরীতে চলার শক্তি না থাকায় কর্তৃপক্ষ বন্ধ রেখেছে বাকী ৫টি ফেরি। ফলে দুই প্রান্তে পারাপারের অপেক্ষায় আটকা পড়েছে সহ্রসাধিক যানবাহন।
বিআইডব্লিটিসি সূত্র জানায়, গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে স্রোতের কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-পথে ফেরি চলাচল ব্যহত হচ্ছে। আগে যেখানে একটি ফেরি ৩০ থেকে ৩৫ মিনিটে নদী পার হতে পারতো, সেখানে বর্তমান সময় লাগছে দেড় ঘণ্টা থেকে পৌনে দুই ঘণ্টা। ফলে ট্টিপ সংখ্যা অনেক কমে গেছে। স্রোতের মধ্যে চলতে গিয়ে পুরাতন ফেরিগুলোও বিকল হয়ে যাচ্ছে।
শনিবার বিকেল পর্যন্ত শুধুমাত্র পাটুরিয়া ঘাটে ৫ শতাধিক পণ্যবাহী ট্টাক ও শতাধিক যাত্রীবাহী বাস পারাপারের অপেক্ষায় ছিলো। আটকা পড়া এসব যানবাহনের যাত্রী, বিশেষ করে নারী-শিশুরা পোহাচ্ছেন চরম দুর্ভোগ। শ্রাবনের দফায় দফায় বৃষ্টি তাদের ভোগান্তির মাত্রা আরো বাড়িয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসির পাটুরিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক মোঃ সালাউদ্দিন জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নদীতে পানি আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে স্রোত বাড়ায় ফেরি পারাপারে সময় বেশি লাগছে। দুই ঘাটে দীর্ঘ হচ্ছে অপেক্ষমান যানবাহনের সারি।
এদিকে পরিস্থিতি সরেজমিন দেখতে শুক্রবার বিআইডব্লিউটিসি জেনারেল ম্যানেজার(কর্মাস) নুরুল আলম আকন্দের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাট পরির্দশন করেছেন।




