slider

পরিবেশ বিনষ্টকারী রফিকুল আইনের উর্ধ্বে ?

মোঃ নিজাম উদ্দিন, গোয়াইনঘাট (সিলেট): সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলংয়ের লাখের পাড় গ্রামে চলছে‌ পরিবেশ বিনষ্টকারীদের পাথর উত্তোলন মহোৎসব। বাড়ির আঙ্গিনা থেকে গাছপালা কেটে সাবার করে চলছে পাথর উত্তোলন।বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় থানা প্রশাসনকে হাত করে পাথর উত্তোলন করছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল।

এই চক্রের প্রধান হিসেবে রয়েছেন লাখের পাড়গ্রামের আবু হানিফের ছেলে আব্দুল আউয়াল ও রফিকুল ইসলাম । আব্দুল আউয়াল স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার হওয়ার সুবাদে একই গ্রামের পূর্ব পাড়ার লিলু মিয়ার ছেলে ইসমাইলের বাড়ির সম্মুখভাগ থেকে নানা ধরনের ফসলি গাছপালা কেটে বড় বড় গর্ত তৈরি করে পাথর উত্তোলন করছেন। এ চক্রের অন্যান্য সদস্যরা হলো লাখের পার গ্রামের খালেক মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪০), আব্দুস সালামের ছেলে রমজান আলী (৩৫),মানিক মিয়ার ছেলে বাবুল(৫০), আয়াত আলীর ছেলে হায়দার আলী(৫২),আরো অনেকে।

রফিকুল ইসলাম সহ পাথর সন্ত্রাসী পরিবেশে বিনষ্টকারীদের দৌরাত্ম্য ও দাপট বেশি থাকায় কেউ তাদের সামনে মুখ খোলার সাহস পর্যন্ত পায়না, আর পরিবেশ ধ্বংসাত্মক করে পাথর সন্ত্রাসীরা রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিদিন পাঁচ ছয় ট্রাক পাথর উত্তোলন করে বিভিন্ন মিল ক্রাসারে দেদারছে বিক্রি করছে চক্রটি। এতে করে প্রতিদিন এই চক্রটি আইনকে তোয়াক্কা না করে লক্ষ্ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারি২০২৩ ইং রোজ বুধবার হইতে জাফলং ডাউকি নদীতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাথর উত্তোলন বিরোধী অভিযান থাকলেও পরিবেশ বিনষ্টকারি চক্রটির পাথর উত্তোলন বন্ধ হয়নি। এ ব্যাপারে স্থানীয় সচেতন মহল বিস্মিত। প্রশাসন কি সত্যি কারে তাদের হয়েই কাজ করছে ?

এ অবস্থা চলতে থাকলে অনেকেরই বাড়িঘর ও গাছপালা কেটে দখলবাজি পরিবেশ ধ্বংস করে পাথর উত্তোলন হলে পুরো এলাকা মরুভূমি হয়ে যাচ্ছে, যাহা স্হানীয় নিরীহ জনসাধারণ প্রতিবাদ প্রতিরোধ করতে চাইলেই তাদের উপর দিয়ে হামলা মামলা শিকার হতে হয় সে ভয়েই কেউ মুখ খোলার সাহস পাচ্ছে না।

স্হানীয় ভুক্তভোগী একজন স্হানীয় থানায় অভিযোগ দিলে মাস খানেক পূর্বে এসআই, ইমরুল এবং এএস আই, মশিউর সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে পাথর তোলা অবস্থায় চক্রটির সাথে জড়িত সকলকে দেখতে পেলেও কোনো ধরনের আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ না করে বাদীকে পাথর সন্ত্রাসী পরিবেশে ধ্বংসকারীদের সঙ্গে মিলেমিশে যেতে বলে যান।

এসব বিষয় নিয়ে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিকদের নেতৃত্বে বিষয়টি পুলিশের সাথে রফা হলে, কিছুদিন বন্ধ থাকে । নাম না বলার শর্তে কয়েকজন পাথর শ্রমিক এ প্রতিনিধিকে জানান থানা প্রশাসনকে প্রতি সপ্তাহে ৩০ হাজার টাকা দিবে মর্মে পুনরায় শুরু হয় পাথর উত্তোলন। স্হানীয়দের জিম্মি করে আইনের বিষয়টি দেখার কেউ নেই, স্হানীয়দের দেশ ও জাতির সচেতনসহ প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদ্যোগ নেওয়া জরুরী বলে মনে করে,
স্হানীয় মানুষের প্রশ্ন পরিবেশ ধ্বংসকারী পাথর সন্ত্রাসী চক্ররা কি আইনের উর্ধ্বে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button