Uncategorized

নোয়াখালীতে প্রযুক্তির সহায়তায় ধরা খেল চাঁদাবাজ

নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালী সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজির মামলায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-১১।
গ্রেফতারকৃত আবদুল্লাহ আল মামুন ওরফে আলিফ (২৬) সে নোয়াখালী পৌরসভার ৪নম্বর ওয়ার্ডের জয়কৃঞ্চপুর এলাকার মো.রফিকুল ইসলামের ছেলে।
গতকাল রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্ত আসামিকে সদর উপজেলার মাইজদী মেইন রোডের অনন্তপুর রাস্তার মাথা থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।
র‌্যাব-১১,সিপিসি-৩ নোয়াখালী এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কোম্পানী কমান্ডার খন্দকার মো.শামীম হোসেন সোমবার দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টা ২২ মিনিটে ০১৬০৯৩৯৯৬২৬ নাম্বার থেকে গ্রেফতারকৃত ১নং আসামি মামলার বাদী আ.ন.ম মিজানুর রহমানকে (৪৪) ফোন করে নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানাধীন ৪ নং কাদির হানিফ ইউনিয়নের কাদির হানিফ গ্রামের পলাতক ২নং আসামি মিজান মুহুরীর বাড়ীর পশ্চিম পাশে কথা আছে বলে ডেকে নেয়। বাদী সরল বিশ^াসে ওই দিন দুপুর অনুমান ৩টার দিকে বর্ণিত স্থানে গেলে ধৃত ১নং আসামি, পলাতক ২নং আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪জন আসামি একসাথে বাদীকে আটক করে অস্ত্রের ভয়ভীতি দেখিয়ে ৬০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে। দাবীকৃত চাঁদার টাকা না দিলে মেরে ফেলবে এবং তাহার পরিবারকে নাজেহাল করার হুমকি দেয়। তাদের কথায় বাদী ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে তাহার বিকাশ নাম্বার থেকে ২০ হাজার একশত পঞ্চাশ টাকা আসামিদের বিকাশ নাম্বার ০১৩০৯৭৯৩৯৩২ তে চাঁদার টাকা ট্র্যান্সফার করে প্রাণে রক্ষা পায়। এরপর সকল বিবাদীরা বাদীর মোবাইল নাম্বারে ফোন করে বিবাদীদের দাবীকৃত বকেয়া চাঁদা ৪০হাজার টাকা সহকারে পুনরায় তাদের সামনে বর্ণিত স্থানে হাজির হতে বলে। পরে এ ঘটনায় সুধারাম থানায় ভুক্তভোগী এজাহার দায়ের করেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button