গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) ইতিহাস বিভাগের অনুমোদনের দাবিতে চোখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ছুটির দিনেও আন্দোলনকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন।
এদিন বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নীরব ভূমিকার প্রতিবাদে নবম দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের। এসময় তারা ইতিহাস বিভাগের অনুমোদন ছাড়া ঘরে ফিরবেন না বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এদিকে বিকাল ৪টায় সুন্দরবন দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করবেন আন্দোলনকারীরা।
ইতিহাস বিভাগের অনুমোদনের দাবিতে আন্দোলনের কারণে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তারা সেশনজটে পড়ার আশঙ্কা করছেন।
গণিত বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মারুফুল কবির দৈনিক অধিকারকে জানান, আন্দোলনের কারণে আমাদের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে আমরা সেশনজটে পড়ে যাবো। আমাদের অভিভাবকরা আমাদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন। ইউজিসির উচিত বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা।
প্রসঙ্গত, ইউজিসির অনুমোদন ব্যতীত বশেমুরবিপ্রবির সাবেক উপাচার্য খোন্দকার নাসিরউদ্দিন ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ ইতিহাস বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেন। প্রায় তিন বছর পর গত ৬ ফেব্রুয়ারি বিভাগটিতে নতুন কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি না করার নির্দেশ দেয় ইউজিসি। ইউজিসির সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে ৬ ফেব্রুয়ারি রাত থেকেই প্রশাসনিক ভবনের সামনে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা এবং ৮ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সব গুরুত্বপূর্ণ ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। বিভাগটিতে তিন ব্যাচে সর্বমোট ৪২৪ জন শিক্ষার্থী অধ্যায়নরত রয়েছেন।




