নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করলেন ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিরা

সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফরের আগে পূর্বানির্ধারিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে মিরপুর ঘুরে গেলেন ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিরা। তারা বলছেন যে, তিনদিনের সফর থেকে ফেরার পর তারা বোর্ডে একটি প্রতিবেদন দিবেন। সেই প্রতিবেদনের পর সে দেশের বোর্ডই সফরের ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিবে।
ইংল্যান্ডের প্রতিনিধি দলে আছেন তিনজন। তারা আজ দুপুরের পর বিসিবির গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে মিরপুর স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা পরিস্থিতিসহ সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। আগামীকাল তাদের চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে যাওয়ার কথা রয়েছে।
মিরপুরে স্টেডিয়াম পর্যবেক্ষণ শেষে চলে যাওয়ার সময় সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন জন কার। তিনি ইংলিশ বোর্ডের ক্রিকেট বিষক কমিটির পরিচালক। তিনি জানান যে, তাদের সফরটি একটি নিয়মিত ব্যাপার। যে কোনো দেশ সফরের আগেই এ ধরনের সফর হয়।
তিনি বলেন, ‘নিয়মিত সফরের অংশ হিসেবেই তিনদিনের জন্য আমরা এখানে এসেছি। হোটেল, অন্যান্য সুবিধা এবং মাঠ পর্যবেক্ষণ করাই আমাদের কাজ। এ ছাড়া নিরাপত্তা দানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গেও আমাদের সাক্ষাতের কথা আছে। বিসিবিকে ধন্যবাদ। কারণ তারা আমাদের কাজ অনেক সহজ করে দিচ্ছে।’
ইতোপূর্বে আইসিসির দুটি বড় আয়োজনে বাংলাদেশে এসেছে ইংল্যান্ড। এর মধ্যে একটি ছিলো ২০১৪ সালের ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি এবং পরে চলতি বছরের শুরুতে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ।
এ প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে জন কার বলেন, ‘আমরা ইতোপূর্বে বাংলাদেশ সফর করেছি এবং সে সময় আমাদের কেমন আতিথেয়তা দেয়া হয়েছিলো ও নিরাপত্তা কেমন ছিলো, তা আমাদের মনে আছে। সেটা আমরা বিবেচনা করবো। আমাদের এই সফর থেকে কোন কোন ব্যাপার স্পষ্ট হলো, তা আমরা এখনই বলতে চাইছি না। বোর্ডে প্রতিবেদন দেয়ার পর সবাই জানতে পারবে।’
জানা গেছে, এই সফরে ব্রিটিশ প্রতিনিধি দলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, সরকারি নিরাপত্তা সংস্থা এবং ব্রিটিশ ও অস্ট্রেলীয় হাইকমিশনের সঙ্গেও বৈঠক করার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, এ ধরনের নিয়মিত সফরকে কেন্দ্র করে আলোচনার খুব বেশি কিছু নেই। কিন্তু গত জুলাইয়ের এক তারিখে ঢাকার গুলশানের জিম্মি- ঘটনার পর থেকেই বাংলাদশের নিরাপত্তা নানা প্রশ্ন উঠেছে। ওই কারণেই মূলত ব্রিটিশ প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশ সফরের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।




