
ধামরাই প্রতিনিধি: ঢাকার ধামরাইয়ে নির্মাণাধীন ভবনের টয়লেট থেকে অটোরিকশা চালক মোহাম্মদ আলীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার স্ত্রীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় জব্দ করা হয়েছে হত্যার কাজে ব্যবহৃত ধারালো ছুরি।
শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে ধামরাই থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের কথা জানান সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহীনুর কবির।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, নিহতের স্ত্রী জয়তুন বেগম এবং তার প্রেমিক তোফাজ্জল মিয়া।
পুলিশ কর্মকর্তা শাহীনুর কবির বলেন, গত ২০ এপ্রিল বিকেলে খেলতে গিয়ে ধামরাই উপজেলা পরিষদের নির্মাণাধীন ভবনের চতুর্থ তলার টয়লেটে রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখে কয়েক শিশু। পরে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ধামরাই থানা-পুলিশ। এরপর স্বজনেরা পরিচয় শনাক্ত করেন। এই ঘটনায় ধামরাই থানায় একটি হত্যা মামলা হলে পুলিশ তদন্তে নেমে প্রথমে গতকাল রাতে তোফাজ্জল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। তার স্বীকারোক্তিতে গ্রেপ্তার করা হয় নিহতের স্ত্রী জয়তুন বেগমকে। পরে তাদের হেফাজতে থাকা হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো ছুরি জব্দ করা হয়।
তিনি জানান, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে নিহতের স্ত্রী জয়তুন বেগম ও তার প্রেমিক তোফাজ্জল মিয়া পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন মোহাম্মদ আলীকে কৌশলে উপজেলা পরিষদের নির্মাণাধীন ভবন নিয়ে গিয়ে হত্যা করেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে ধামরাই থানা থেকে দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।




