
ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকার ধামরাইয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর গণধর্ষণের অভিযোগে মহিলা সহযোগীসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার ভোর রাতে সাভারের আশুলিয়া থানার নবীনগর বটতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধারসহ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে- রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থানার মুংলাকুটি গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে আরিফুজ্জামান (২০), রংপুর জেলার গংগাচরা থানার খাটারি খা বাড়ী গ্রামের মৃত আবুল হাশেমের ছেলে আয়নাল হক (২৫), মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানার দরগ্রামের মোজ্জামেল হকের ছেলে রবিউল আওয়াল (১৯)। এরা সবাই আশুলিয়া থানার নবীনগর বটতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতো। অপরদিকে অপহরণের সহযোগী ধামরাই উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের গাওয়াইল গ্রামের সোহানা আক্তার। গতকাল বুধবার দুপুরে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ও মামলা সুত্রে জানা গেছে, গত ১৫ মে সকালের দিকে ধামরাই উপজেলার
গাওয়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রী স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্য বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। এরপর আর বাড়ি ফিরে না আসায় বাড়ির লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করতে থাকে । কিন্তু কোথাও তাকে না পেয়ে ওই ছাত্রীর বাবা ১৭ মে ধামরাই থানায় একটি নিখোঁজ জিডি করেন। ডিজি নং ১০২৮।
জিডির পেক্ষিতে ধামরাই থানার পুলিশ গতকাল বুধবার ভোর রাতে আশুলিয়া থানাধীন নবীনগরের বটতলা এলাকা থেকে স্কুলছাত্রীকে উদ্ধারসহ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে।
উদ্ধারের পর ভুক্তভোগী ওইছাত্রীর বরাদ দিয়ে পুলিশ জানায়, স্কুলে যাওয়ার পথে গাওয়াইল গ্রামের সোহানা আক্তার তাকে বেড়ানোর কথা বলে কৌশলে আশুলিয়া থানাধীন নবীনগর বটতলা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে আটকিয়ে রাখে।
সেখানে সোহানার পূর্বপরিচিত আরিফুজ্জামান তার বন্ধু আয়নাল হক ও রবিউল আওয়াল তাকে ধর্ষণ করে।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার ওসি মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী নিখোঁজের ঘটনায় থানায় একটি জিডি হয়। পরে সেই জিডির আলোকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে সহযোগীসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদেরকে বুধবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।




