ধান কাটতে হাওরে শ্রমিক পাঠাচ্ছে পুলিশ

চট্টগ্রামে নিম্নবিত্ত এবং উপাজর্নহীন হয়ে পড়া শ্রমিকদের হাওর এলাকায় ধান কাটতে পাঠাচ্ছে পুলিশ।
রোববার পাঁচটি বাসে ১০০ শ্রমিককে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় হাওড় অঞ্চলে পাঠানো হয়। সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমানের নির্দেশে পুলিশ এ বিষয়ে সার্বিক তত্ত্বাবধান করছে।
এ বিষয়ে সিএমপির উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান বলেন, ‘বাকলিয়ায় বিভিন্ন বস্তি ও কলোনিতে নিম্ন আয়ের অনেক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাদের মধ্যে ধান কাটায় আগ্রহীদের মধ্যে প্রথমদিন আমরা ১০০ জনকে কিশোরগঞ্জের হাওড় অঞ্চলে পাঠিয়েছি। যাতে ধান কাটার কোনো সংকট তৈরি না হয়।’
তিনি বলেন, সিএমপি কমিশনার মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাদের যাবতীয় সুরক্ষা সামগ্রী দিয়েই পাঠিয়েছি। এমন কী ৪০ সিটের বাসে সামাজিক দূরত্ব মেনে ২০ জন বসিয়েছি। বাসগুলোতে জীবানুনাশক স্প্রে করা হয়েছে। শ্রমিকদের তাপমাত্রা পরিমাপ করে যাদের তাপমাত্রা বেশি তাদের পাঠানো হয়নি। যাতে তাদের কোনো সমস্যা না হয় সে জন্য কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার এ বিষয়ে দেখভাল করবে।
সিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আব্দুর রউফ (দক্ষিণ) জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের প্রয়োজনীয় খাবার দেওয়া হয়েছে যাতে চলতি পথে খেতে পারে। এ ছাড়া সেখানে পৌঁছার পর ওই এলাকার পুলিশ তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করবে। ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইন শেষে তারা ধান কাটার কাজে যোগ দেবেন। শ্রমিকদের পরিবহনে এস আলম গ্রুপ বাস দিয়ে সহায়তা করছে। রবিবার শ্রমিকদের নিয়ে পাঁচটি বাস কিশোরগঞ্জ গেছে। সোমবার থেকে এস আলম গ্রুপ শ্রমিকদের নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রতিদিন ৪০টি করে বাস দেবে।
তিনি আরো বলেন, সিএমপির তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে এস আলমের দেওয়া বাসে করে শ্রমিকরা যাবেন কিশোরগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজারসহ আরও বিভিন্ন এলাকায়। কেউ যদি ধান কাটতে যেতে উৎসাহী হয় তারা স্থানীয় থানায় যোগাযোগ করলে সিএমপির তত্ত্বাবধানে সেখানে পাঠানো হবে।



