
দ্রব্যমূল্যের ভয়াবহ উর্ধগতির প্রতিবাদে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির বিক্ষোভ পক্ষের প্রথম দিনে সকালে সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজারের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে পার্টির কেন্দ্রীয় নেত্রী বহ্নিশিখা জামালী বলেন, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধগতির কারণে গরীব ও স্বল্প আয়ের কোটি পরিবারসমূহে হাহাকার দেখা দিয়েছে। বাজারের আগুনে মানুষ পুড়ে মরছে। কোটি কোটি মানুষের খাদ্যগ্রহন কমে গেছে।মজুদের ঘাটতি না থাকলেও ক্রয়ক্ষমতা না থাকায় দুই বেলা খাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে।তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, মন্ত্রী ও সরকারি দলের নেতারা না খাওয়া বুবুক্ষু মানুষের আহাজারি আর অসহায়ত্ব নিয়ে কটাক্ষ করছেন। তিনি বলেন, গুরুতর এই খাদ্য পরিস্থিতিতে নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশী ভুক্তভোগী।
তিনি সরকারকে বাগাডম্বর কমিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলায় অনতিবিলম্বে গণরেশনিং চালু, টিসিবির বরাদ্দ বৃদ্ধি, ন্যায্য মূল্যের দোকান খোলা ও দেড় কোটি সবচেয়ে অভাবী পরিবারের কাছে নগদ টাকা ও খাদ্য সামগ্রী পৌঁছানোর আহবান জানান।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি আকবর খানের সভাপতিত্বে এই বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন পার্টির মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, স্নিগ্ধা সুলতানা ইভা, কামরুজ্জামান ফিরোজ, সংগঠক ইউসুফ জামিল, ইফতেখার চৌধুরী প্রমুখ।
সমাবেশে আকবর খান বলেন, মুনাফাখোর ব্যবসায়ী আর সরকার মিলে দেশের মানুষকে আবার একটা দূর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।সরকারের ক্ষমতায় থাকার বৈধতা না থাকায় তারা মুনাফাখোরদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারছে না। তিনি বাঁচার প্রয়োজনে দেশের মানুষকে রাস্তায় নেমে আসার আহবান জানান।
সেগুনবাগিচা,বিজয়নগর ও তোপখানা রোড হয়ে বিক্ষোভ মিছিল পার্টির কেন্দ্রীয় দফতরে এসে শেষ হয়।




