এমপিওভুক্তির দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন তারা।
ননএমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মাহামুন্নবী ডলার গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের একটাই দাবি, সারাদেশে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের একযোগে এমপিওভুক্ত করতে হবে। সেই নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে আমাদের বৈঠক হয়েছে। তার আশ্বাসে আমরা সন্তুষ্ট না। তিনি আমাদের আন্দোলন ছেড়ে বাড়ি ফিরে যেতে আহ্বান জানিয়েছিলেন।
দাবি আদায় না হওয়ায় এ আশ্বাসে তারা ফিরে যাচ্ছি না বলে জানান ননএমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি।
উল্লেখ্য, গত রোববার (২০ অক্টোবর) রাতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষকরা।
সেখানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সুনির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিও দেয়া হবে। বিদ্যমান এমপিও নীতিমালা সংশোধন করা হবে। পরবর্তী নীতিমালা অনুযায়ী এখন থেকে প্রতিবছর এমপিও দেওয়া হবে। এমপিওপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের মান নিয়মিত মনিটর করা হবে এবং যারা নীতিমালা অনুযায়ী ফলাফল করবে না তাদের এমপিও বাতিল করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী এ বছরের এমপিও চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নতুন কোনো প্রতিষ্ঠানের অন্তর্ভুক্তির সুযোগ নাই। এর ব্যতয় হলে আদালতে মামলা হবে। ফলে যোগ্য বিবেচিত হওয়া সকল এমপিও বন্ধ হয়ে যাবে।
তাই আন্দোলন ছেড়ে ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী। তার আশ্বাসে সন্তুষ্ট না হয়ে অনশন কর্মসূচির ঘোষণা দেয় শিক্ষকরা।
এমপিওভুক্তির দাবিতে ১৪ অক্টোবর থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আন্দোলন করছেন শিক্ষকরা। ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় শিক্ষামন্ত্রী ফোন করে আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকের কথা জানান। এর পরিপ্রক্ষিতে রোববার সন্ধ্যায় বৈঠক হয়।




