
স্বাধীনতার পর থেকে ১১টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং প্রতিটি নির্বাচনে রাজনৈতিক দল এবং জোট সমূহ সকল নিবর্তন মূলক আইন বাতিল ও মানবিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করে নির্বাচনে জয়ী হয়েই তাদের অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছে এবং এই রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থাকে আরো অমানবিক এবং স্বৈর তান্ত্রিক করে তুলেছে। রাষ্ট্রও ক্রমান্বয়ে ফ্যাসিস্ট রূপ নিয়েছে। অনেক ত্যাগ আর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে মুক্তি যুদ্ধের অঙ্গীকার সাম্য মানবিক মর্যাদা সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে গড়ে তোলার জন্য বর্তমান সংবিধানকে সংস্কার করা ছাড়া বিকল্প নেই। এই লক্ষ্যে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে গণপরিষদ নির্বাচনে রূপান্তরিত করার দাবি উত্থাপন করা হয় নবগঠিত গণপরিষদ আন্দোলনের সভায়।
আজ নবগঠিত গণপরিষদ আন্দোলনে আত্মপ্রকাশ উপলক্ষ্যে জাতীয় প্রেসক্লাব জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে গণপরিষদ আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কবীর মুক্তিযোদ্ধ নঈম জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার প্রারম্ভেই নব গঠিত গণপরিষদ আন্দোলনের লিখিত ঘোষণা পাঠ করেন পরিষদের সমন্বয়ক ম. হাবিবুর রহমান। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক এবং আলোচনায় অংশ নেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধানসমন্বয়ক এড. হাসনাত কাইয়ুম, গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নূরুল হক নূর, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার এবং গণপরিষদ আন্দোলনের সমন্বয়ক যথাক্রমে আব্দুল মোনেম, মাহবুবুল আলম চৌধুরী, জসিম উদ্দিন রাজা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মওলানা শওকত আমীন, আব্দুর রহমান, এড. আফাজুল হক, মাসুদ হোসেন, বশির আহমেদ প্রমুখ। সভা সঞ্চালন করেন গণপরিষদ আন্দোলনের সমন্বয়ক সৈয়দ হারুন অর রশিদ এবং এ এএম ফয়েজ হোসেন।




