sliderস্থানিয়

দৌলতদিয়ায় বাসডুবির ঘটনায় উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা

দৌলতপুর প্রতিনিধি: রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবির ঘটনায় উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। রোববার (২৯ মার্চ) রাত ১১ টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথী দাস।

রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবির ঘটনায় উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করে উপজেলা প্রশাসন।

এরআগে গত ২৫ মার্চ বিকেল ৫ টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস দৌলতদিয়ার তিন নম্বর ফেরিঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় প্রায় অর্ধশত যাত্রী নিয়ে পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে ডুবে যায়।

এ ঘটনায় কয়েকজন সাঁতরে ও স্থানীয়দের সহযোগীতায় তীরে উঠলেও বেশিরভাগ যাত্রীই ডুবে যায়। দীর্ঘ সাত ঘন্টা পর ডুবে যাওয়া বাসটি নদী থেকে টেনে তোলে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা।

চালক আরমানের মরদেহসহ একে একে ২৬টি মরদেহ উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় আলাদা দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়। এছাড়া দুর্ঘটনা কবলিত বাসটির রেজিষ্ট্রেশন স্থগিত করেছে বিআরটিএ।

এদিকে পাঁচদিন পর রোববার রাতে উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথী দাস জানান, ২৫ মার্চ বিকেলে দৌলতদিয়ার তিন নম্বর ফেরি ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় পন্টুন থেকে সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার পর ওইদিন রাতেই ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এই কর্মকর্তা আরও জানান, পরদিন ২৬ মার্চ সকালে উদ্ধার করা হয় আরও তিনজনের মরদেহ। ওই দিনই মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে নদীতে আরও কোন মরদেহ আছে কি না তা তল্লাশি করার জন্য উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখা হয়।

প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস, বিআইডবিøউটিএ, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের ডুবুরি দল যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালায়।

তবে রোববার (২৯ মার্চ) রাত পর্যন্ত নতুন করে কোন মরদেহ পাওয়া না যাওয়ায় এবং কারো স্বজন নিখোঁজ রয়েছে বলে কোন দাবিদার না থাকায় ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে উদ্ধার অভিযান আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button