
খালেদা জিয়ার শর্তহীন মুক্তির দাবিতে আইনজীবীদের মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেছেন, এই অবৈধ সরকার পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিন। তারপরে আপনি বাকশাল নিয়ে আসেন, আমরা গণতন্ত্র নিয়ে আসি। দেখি কত ধানে কত চাল। তিনি বলেন, এই দেশ স্বাধীন হয়েছে বাকশালের জন্য নয়, বহুদলীয় গণতন্ত্রের জন্য। তাই এদেশে বাকশাল নয়, গণতন্ত্র থাকবে।
রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়ার মুক্তি আইনজীবী আন্দোলন আয়োজিত মানববন্ধনে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বেলা সাড়ে ১২টা থেকে সোয়া ১টা পর্যন্ত আইনজীবীরা খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। শতাধিক আইনজীবী অংশ নিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দেন।
সংগঠনের চেয়ারম্যান তৈমুর আলম খন্দকারের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের মহাসচিব এ.বি.এম. রফিকুল হক তালুকদার রাজার সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরো আরো বক্তব্য রাখেন ইসলামী ঐক্য জোটের চেয়ারম্যান মওলানা আব্দুর রকিব, বিকল্প ধারার মহাসচিব শাহ আহম্মেদ বাদল, কো-চেয়ারম্যান আবেদ রাজা, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আনিছুর রহমান খান, এ. এম খালেদ, ভাইস-চেয়ারম্যান, আফজাল হোসেন ও ড. ওয়াছিল উদ্দিন বাবু, সুপ্রীম কোর্ট ইউনিটের সম্পাদক আইয়ুব আলী আশ্রাফী, কো-চেয়ারম্যান মোঃ শহীদুল ইসলাম, সাবেক জজ মোঃ শামসুল আলম, শাফিউর রহমান শাফি, নাজমুল হাসান, কামাল হোসেন, মুক্তার হোসেন, আবু হানিফা, এ্যাড. শামসুল ইসলাম মুকুল, শাহাব উদ্দিন, আলী ইউসুফ টিপু, আজমেরী বেগম ছন্দা প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামসুজ্জামান দুদু প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, আপনি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খুনের রাজনীতি শুরু করেছেন। তাহলে জাসদ যে দাবি করে ১৯৭২-৭৫ সাল ৩০ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। এটা কোন আমলে, কে করেছে? এদেশের বিপ্লবী পার্টি সর্বহারা দলের সভাপতি সিরাজ সিকদারকে কে হত্যা করেছে? প্রধানমন্ত্রী আপনাকে আমি বলবো, একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে দেখেন কোন আমলে এদেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল? কোন আমলে বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করতে রক্ষীবাহিনী তেরি করা হয়েছিল? নয়া দিগন্ত




