
মোহাম্মদ আলী, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: হরিরামপুর উপজেলার চালা ইউনিয়নের দিয়াপাড় গ্রামের আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসরত ১০০ পরিবারের একমাত্র বাসস্থান (ঘরবাড়ি) থাকার অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে।
সরে জমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সামন্য বৃষ্টি হলেই চাল হতে বৃষ্টি পানিতে ভরাডুবি। টিনের চালের ছিদ্র দিয়ে অনবরত বৃষ্টির পানি পড়ে। ঘরের ছাউনির বেহাল দশার কারণে অস্থায়ী ভাবে বসবাসরত লোকেরা পলিথিন দিয়ে আটকিয়ে সাময়িক ভাবে বৃষ্টি পানি রোধ করছে। ঘরের খুটিগুলো ভেঙে যাওয়ায় ঘূর্ণিঝড় হলেও ঘড়বাড়ি বিলীন হওয়া আশঙ্কা করছে কলোনীর বাসিন্দা।
সূত্রে জানা গেছে, এখানে ৫০০ লোকের ঘনবসতি।
পেশাগতভাবে কেউ কৃষি, চাষাবাদ, ভ্যান-গাড়ি, অটো-রিক্সা চালিয়ে জীবিকা আহরণ করে থাকেন।
কোমলমতি স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীও রয়েছে অর্ধ শতাধিক।
বঞ্চিত হচ্ছে চিকিৎসা-রাস্তার ঘাটের কারণে যাতায়াতের চরম দূর্ভোগ প্রহাতে হচ্ছে কোমলমতি স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের।
নানা অসুবিধা থাকায় প্রতিনিয়ত বিপাকে পড়ছে হচ্ছে কলোনীর বাসিন্দাদের, তাদের দেখার কেউ নেই।
কলোনীর মোঃ মোস্তফা (ভুক্তভোগী) জানান, আমাদের ঘরবাড়ি অবস্থা খুবই করুণ,সামন্য বৃষ্টি হলেও টিনের চাল দিয়ে অনবরত পানি পড়ে,ঘূর্ণিঝড় হলে ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে পূনরায় ঘরবাড়ি সংস্কার করা অতিব জরুরি হয়ে পড়েছে।
মোসাম্মৎ হেনা বেগম (ভুক্তভোগী) জানান,আমাদের দেখার কেউ নেই! আমাদের একমাত্র থাকার বাসস্থান জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে! আমরা কোথায় যাবো? সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আমাদের নতুন করে ঘরবাড়ি সংস্কার করে দেওয়া হোক।
কলোনীর আরেক ভুক্তভোগী আব্দু লতিফ (দোকানদার) আরো জানান, বিগত দিনগুলোতে বার বার আমাদের ঘরবাড়ি নতুন করে সংস্কার কিংবা উন্নতমানের ঘর বাড়ি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার কথা থাকলেও আদৌও এখন পর্যন্ত নেওয়া হয়নি কোন পদক্ষেপ।
আমরা কলোনীবাসিরা সরকার প্রধান ও উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোরদার দাবি জানাচ্ছি, বিষয়টি খতিয়ে দেখে অতিদ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ফাহিজা বিসরাত হোসেন মুঠোফোনে জানান, এ বিষয়টি আমি অবগত ছিলাম না। বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। আমি ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার হিসেবে দ্বায়িত্বে থাকার কারণে আপাতত আমার পক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা সম্ভব হচ্ছে না,পরবর্তীতে নতুন ইউএনও আসলে কার্যক্রম অবহৃত থাকবে।




