
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন দয়া করে দেশটাকে বাঁচান এখন আর বিভাজন সৃষ্টি করবেন না। এখন আর বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলে গণভোট হতে হবে না হলে হবেনা।
পিআর হতে হবে না হলে ভোট হবে না, এখানে শিক্ষিত মা-বোনেরা আছেন আপনারা কি পিআর বুঝেন, তাহলে কেমনে হবে। যেটা বুঝি না তাহলে ভোটটা কাকে দিব। দয়া করে নির্বাচনটা হতে দেন। বাংলাদেশের মানুষ বাঁচুক। দেশের অস্থিরতা কাটুক। আপনাদের কাছে অনুরোধ সঠিক সিন্ধান্ত নিন।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনীয় জনসভায় এ কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশের মানুষ একটি নির্বাচন চায়। পিআর দেশের মানুষ বোঝে না। পিআরটা আবার কি? আগে ভোট হউক তারপর কার কি দাবি আছে সেটা সংসদে গিয়ে আলাপ-আলোচনা করে সিন্ধান্ত নেওয়া যাবে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন আগামী ১৭ অক্টোবর সংস্কার সনদে স্বাক্ষর হবে। কিসের সংস্কার? সংস্কার কাকে বলে? কি কঠিন কঠিন শব্দ। তারপরও আমরা করতেছি। কারণ সংস্কার হলো ঘরের টিন বদলানোর মতো। ঘরের দরজা বা টিন যেমন কয়েক বছর পরপর বদলাতে হয় তেমনি রাজনীতিতেও কিছু সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। তাই আমাদের দেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিরা ও ছাত্ররা মনে করেছে দেশটাকে ঠিক করতে হলে সংস্কার করতে হবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা প্রতিহিংসা ও বিভেদের রাজনীতি চাই না। আমরা চাই একটি শান্তির রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হোক। আর ভাগাভাগি করিয়েন না। দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে। সবাই মিলে সত্যিকার অর্থে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমি ১১ বার কারাগারে গেছি। শেখ হাসিনা আমাকে ভয় করতো, যে কারণে কারাগারে পাঠাতো। একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য আমাদের অনেক ছেলে প্রাণ দিয়েছে। তাই আসুন সবাই একত্রিত হয়ে কাজ করি।




