
অর্থপাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ৭ বছরের সাজা ও ২০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সাথে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই মামলায় ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের সাজা কিছুটা পরিবর্তন সাপেক্ষে বহাল রয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ দুদকের আপিল গ্রহণ করে এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে নিম্ন আদালত এ মামলায় তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস ও গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে ৭ বছরের দণ্ড ও ৪০ কোটি টাকা জরিমানা করেছিল। আজ আপিলে তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুন উভয়কে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ঘুষ হিসেবে আদায়ের পর ২০ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগে ২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানায় এই মামলা করে দুদক।
বিচার শেষে ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ মো: মোতাহার হোসেন ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দেন। অপর আসামি গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে দেয়া হয় সাত বছরের কারাদণ্ড; সঙ্গে ৪০ কোটি টাকা জরিমানা।
তারেক রহমানের খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে দুদক ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর আপিলের আবেদন করে। শুনানি শেষে ২০১৪ সালের ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্ট দুদকের আপিল গ্রহণ করে আসামি তারেককে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেয়।
দুদকের করা ওই আপিলের সঙ্গে সাজার রায়ের বিরুদ্ধে মামুনের করা আপিলও শুনানির জন্য তালিকায় আসে। এরপর হাই কোর্টে ৪ মে আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়ে শেষ হয় ১৬ জুন।
মামলার শুরু থেকেই তারেক রহমান দেশে ছিলেন না। এক-এগারোর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমল থেকে মামুন কারাগারে। সুত্র: নয়া দিগন্ত




