টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি
ভারতের চেরাপুঞ্জি ও মেঘালয়ের পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিপাতের কারণে সুনামগঞ্জ জেলার ৩২টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৪৪ হাজার ৪১০টি পরিবার।
শনিবার (২৭ জুন) রাতে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জানা যায়, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় চারটি, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় পাঁচটি, তাহেরপুর উপজেলার সাতটি, জামালগঞ্জ উপজেলারি দুটি, ছাতক উপজেলার পাঁচটি, দোয়ারাবাজার উপজেলার দুটি, শাল্লা উপজেলার একটি, ধর্মপাশার দু’টি এবং জগন্নাথপুর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে।
এদিকে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় পাঁচ হাজার, বিশ্বম্ভরপুরে পাঁচ হাজার, তাহিরপুরে তিন হাজার, জামালগঞ্জে ৪০০, ছাতকে ১৯ হাজার ৩৯৬, দোয়ারাবাজারে ১১ হাজার, শাল্লায় ১৪, ধর্মপাশা উপজেলায় ২৫০ এবং জগন্নাথপুর উপজেলায় ৫০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৪৮টি পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে।

অন্যদিকে সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ৭৮টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রের পাশাপাশি বন্যা মোকাবেলায় শুকনো খাবার প্রস্তুতসহ কন্ট্রোল রুম খোলা, স্থায়ী নৌযান প্রস্তুত করা হয়েছে।
এছাড়াও আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে বিশুদ্ধ খাবার পানি, স্যালাইন এবং পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আহাদ বলেন, সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে। শনিবারের রিপোর্ট অনুযায়ী ৪৪ হাজার ৪১০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পেয়েছি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে খাবার সরবরাহ করার জন্য বলা হয়েছে। আমরা ৭৮টি আশ্রয় কেন্দ্র খুলেছি। এছাড়াও যেকোনও সমস্যা সমাধান ও সহযোগিতার জন্য কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।
পূর্বপশ্চিমবি




