
টঙ্গীর ট্যাম্পাকো ফয়েলস কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণের পর সোমবার সকাল থেকে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী। কারখানাটিতে অগ্নিকাণ্ড ও ধসে পড়ার ঘটনায় রোববার রাতেই মালিকসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক দেবাশীষ বর্ধন জানান, গতকাল রাত সাড়ে নয়টার দিকে লে. কর্নেল মো. শফিউল আজমের নেতৃত্বে ১৪ স্বতন্ত্র ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেডের সেনাসদস্যরা কারখানাটির অবস্থা পর্যবেক্ষণে আসেন। পর্যবেক্ষণ শেষে পরিকল্পনা অনুযায়ী, আজ সকাল থেকে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। সেনাবাহিনীর দল প্রথমে কারখানার পূর্ব পাশে রাস্তায় ধসে পড়া ভবনের অংশ সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু করেছে। ধসে যাওয়া ওই স্থান থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই স্থানে আরো লাশ আছে।
টঙ্গী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বিস্ফোরণ থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত জুয়েল মিয়ার বাবা মো. আবদুল কাদের গতকাল রাতে টঙ্গী মডেল থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় কারখানার মালিক সিলেট-৬ আসনের সাবেক এমপি সৈয়দ মকবুল হোসেনকে প্রধান আসামি এবং আরও সাতজনের নাম আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টার দিকে ট্যাম্পাকো ফয়েল কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরো কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে।
এতো বড় দুর্ঘটনার পরও কারখানাটির মালিক মকবুল আহমেদ একবারের জন্যও ঘটনাস্থলে যাননি বলে সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন।




