sliderস্থানিয়

ঝিনাইগাতীতে লটকন চাষে বাম্পার ফলন

মিজানুর রহমান, শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের হলদীগ্রামে বাণিজ্যিকভাবে লটকন চাষ করে বাম্পার ফলন ফলিয়েছেন মো: সবুজ মিয়া। লটকন অত্যন্ত পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও মিনারেলস ভিটামিনসমৃদ্ধ জাতীয় একটি ফল। এই ফলের গাছ লাগিয়ে বাম্পার ফলন ফলিয়ে এলাকায় তাক লাগিয়ে দিয়েছেন সবুজ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার হলদী গ্রামের বাসিন্দা সবুজ মিয়া ২০১৯ সালে নরসিংদীর তার এক চাচার বাগান থেকে লটকনের ৭০টি চারা সংগ্রহ করে বাড়ির পাশে নিজের পতিত জমিতে রোপণ করেন।

রোপণের ৩ বছর পর থেকে প্রতি গাছে ৪ কেজি থেকে ৫০ কেজি পর্যন্ত ফল আসে। গাছের বয়স ভাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফলনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। জৈব সার, ফল আসার পর সামান্য কীটনাশক, রাসায়নিক সার, শুষ্ক মৌসুমে দুই-তিন বার সেচ আর ডালপালা ছেটে দেওয়া ছাড়া বাড়তি আর কোনো ঝামেলা নেই। অল্প খরচে অধিক লাভ পাওয়া যায় এ চাষে।

ঝিনাইগাতী উপজেলার সীমান্তে উঁচু-নিচু পাহাড়ি ঢালুতে ও বসতবাড়ির আশপাশে পরিত্যক্ত ও ছায়াযুক্ত স্থানে এ চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। এ ব্যাপারে লটকন বাগানের চাষি মো. সবুজ মিয়া দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার প্রতিনিধি কে জানান, এটি একটি লাভজনক আবাদ।

১ একর জমিতে স্বল্প খরচে প্রতি বছর দেড় থেকে ২ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। তিনি আরও জানান, কলম কাটা লটকন গাছ থেকে ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে ফল আসে কিন্তু বীজ থেকে গজানো রোপিত চারা থেকে ফল আসতে ৭ থেকে ৮ বছর সময় লাগে।

উপজেলার নলকুড়া, কাংশা, ইউনিয়নের হলদীগ্রাম জিরো পয়েন্ট সহ বিভিন্ন স্থানে লটকন চাষের আবাদ হয়। লটকন দেশি এবং পুষ্টিকর ফল হওয়ায় কৃষি বিভাগ থেকে লটকন চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। এ উপজেলায় আগামীতে লটকন চাষ আরও বাড়বে বলেও জানান তিনি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button