ঝালকাঠিতে ইজিবাইক সাইড দিতে গিয়ে যাত্রীবাহি বাস পুকুরে, নিহত ১৭

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠিতে ইজিবাইক সাইড দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের পুকুরে পড়ে যায় যাত্রীবাহী বাস। সদর উপজেলার ছত্রকান্দা এলাকায় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ দূর্ঘটনা ঘটে। ভান্ডারিয়া থেকে ৬০/৭০ জন যাত্রী নিয়ে বরিশালের দিকে যাচ্ছিলো যাত্রীবাহী বাস বাশার স্মৃতি পরিবহন। এতে ১৭ জন নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ঝালকাঠি সদও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন সরকার।
সদর উপজেলার ছত্রকান্দা এলাকায় সকাল সাড়ে ১০টার দুর্ঘটনায় ডুবন্ত বাসটিকে দুপুর ১২টার দিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। জেলা পুলিশের উদ্ধারযন্ত্রের সাহায্যে ফায়ারসার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাসের ভিতর থেকে নিহতাবস্থায় উদ্ধার হওয়া যাত্রীর পরিচয় এখনও মেলেনি।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয়রা জানায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভান্ডারিয়া থেকে ৬০জন যাত্রী নিয়ে বরিশালের দিকে যাচ্ছিলো যাত্রীবাহী বাস বাশার স্মৃতি পরিবহন। পথিমধ্যে সদর উপজেলার ছত্রকান্দা এলাকায় পৌছলে ইউপি ভবনের সামনের মোড় ঘুরতেই বিরীত দিক থেকে আসা একটি ইজিবাইককে সাইড দিতে গিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের পুকুরে পড়ে যায়। স্থানীয়রা দৌড়াদৌড়ি করে উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। ইতোমধ্যে ফায়ারসার্ভিস ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। এ সময় ২৫জন যাত্রীকে উদ্ধার করা হলেও এরমধ্যে ১৫ জন যাত্রীই নিহত নিহতদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধের সংখ্যাই বেশি। নিহতদের পরিচয় এখনও জানা যায় নি। গাড়িটি উদ্ধার করার পর ভিতর থেকে আরো ২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সবমিলিয়ে নিহতের সংখ্যা ১৭ জন। আহতাবস্থায় উদ্ধার ২৩জনকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিতসক ডা. বৈশাখী বড়াল নিহত ও আহতদের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।
সদর থানার ওসি নাসির উদ্দিন সরকার জানান, যাত্রীবাহী বাসটি উল্টে পুকুরে পড়ে গেলে এখন পর্যন্ত ১৭জনকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে। আহত আরো ২৩ জনকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যেও কয়েকজনকে মুমুর্ষ দেখা গেছে। জেলা পুলিশের উদ্ধারযন্ত্রের সাহায্যে পুলিশ, ফায়ারসার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় বাসটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।




