জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শোক র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৩ নভেম্বর) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবন চত্বর থেকে শোক র্যালি শুরু হয়। তবে শোক র্যালি ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন না শাখা ছাত্রলীগের কোনো নেতা-কর্মী।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে শোক র্যালিটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একইস্থানে এসে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের কর্মকর্তা রাজিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ভিসি অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী, প্রোভিসি অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা ও ভারপ্রাপ্ত রেজিষ্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ।
শোক র্যালি ও আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে শোক র্যালি ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন না বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কোনো নেতা-কর্মী। শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে পদবঞ্চিত বিদ্রোহী গ্রুপের নেতাকর্মীরা অবাঞ্চিত ঘোষণা করায় ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারছে না তারা। এর আগের কয়েক দফায় ক্যাম্পাসে এসে দলীয় কর্মীদের ধাওয়া খেয়ে ক্যাম্পাস ছেড়েছেন তারা। ঝামেলার আশংকা থাকায় এ কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করেননি বলে জানিয়েছেন শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি।
ইবি শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, ‘ক্যাম্পাসে চলমান একটা সংকট বিদ্যমান। এ সংকট নিরসন না হলে ক্যাম্পাসে গেলে ঝামেলার আশংকা রয়েছে। তাই আমরা ঝামেলা এড়াতে এ কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করিনি।’
এবিষয়ে বিদ্রোহী গ্রুপের নেতা ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের কর্মসূচীর বিষয়ে জানায়নি। এছাড়া সামনে ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্রীক কাজে ব্যস্ত থাকায় আমরা কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করতে পারিনি।’
সুত্র : নয়া দিগন্ত




