জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ জিতলো ভারত

বোলারদের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ৮ উইকেটে জিতলো অনভিজ্ঞ ভারতীয় দল। ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ জয় নিশ্চিত করলো টিম ইন্ডিয়া। সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ৯ উইকেটে জিতেছিলো ধোনির দল।
হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে এ ম্যাচেও টস ভাগ্যে জিতে প্রথম বোলিং করার সিদ্বান্ত নেন ভারত দলপতি মহেন্দ্র সিং ধোনি। শুরুতে উইকেটের আদ্রতা কাজে লাগিয়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানদের চাপে ফেলার পরিকল্পনা ছিলো ধোনির। অধিনায়কের পরিকল্পনায় বাস্তবতা এনেছেন বারিন্দার স্রান ও ধাওয়াল কুলকার্নি। ১০ ওভারের মধ্যে ৩৯ রানে জিম্বাবুয়ের ৩ উইকেট তুলে নেন স্রান, কুলকার্নি। হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে ৯ ও পিটার মুরকে ১ রানে ফেরান স্রান আর ২১ রান করে কুলকার্নির শিকার হন চামু চিবাবা।
দ্রুত উপরের সারির ৩ ব্যাটসম্যানকে হারানোর দলের হাল ধরেন ভুসি সিবান্দা ও সিকান্দার রাজা। দ্রুত রান তোলার দিকে মনোযোগি হন সিবান্দা। তাকে স্ট্রাইক দিতে সহায়তা করেন রাজা। ফলে ২৩.২ ওভারেই তিন অংকে পৌছায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। তাই ভয়ংকর হয়ে উঠার আভাসই দিচ্ছিলেন সিবান্দা ও রাজা।
কিন্তু দলীয় ১০৬ রানে রাজাকে শিকার বানিয়ে জমে যাওয়া জুটিটি ভাঙ্গেন যুজবেন্দ্রা চাহাল। ব্যক্তিগত ১৬ রানে রাজাকে বিদায় করে দারুনভাবে ভারতকে ম্যাচে ফেরান চাহাল। উচ্ছসিত হয়ে উঠেন দলের অন্যান্য বোলাররা। তাতে ১২৬ রানেই গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে ইনিংস। ভারতের বিপক্ষে এটি জিম্বাবুয়ের তৃতীয় সর্বনিম্ন ইনিংস। দলের সর্বনি¤œ ইনিংসে সিবান্দা সর্বোচ্চ ৫৩ রান করেন। তার ৬৯ বলের ইনিংসে ৬টি চার ও ১টি ছক্কা ছিলো। ভারতের পক্ষে চাহাল ৩টি, স্রান ও কুলকার্নি ২টি করে উইকেট নেন।
জবাবে সূচনাটা ভালো করে ভারত। ১৩.৪ ওভারেই ৫০ রানের কোটা স্পর্শ করে ভারত। দলীয় ৫৮ রানে আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান লোকেশ রাহুল ব্যক্তিগত ৩৩ রানে ফিরে গেলে, দ্বিতীয় উইকেটে ৬৭ রানের জুটি গড়ে দলের জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেন আরেক ওপেনার করুন নায়ার ও আম্বাতি রাইদু। জয় থেকে ২ রান দূরে থাকতে ফিরে যান নায়ার। ৬৮ বলে ৩৯ রান করেন তিনি। তবে রাইদু ৪১ ও মনীষ পান্ডে ৪ রানে অপরাজিত থেকে ভারতের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন। ম্যাচের সেরা হয়েছেন চাহাল।
একই ভেন্যুতে আগামী ১৫ জুন অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে।




