
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজনা ইসলামের অপসারণের দাবিতে রেজিস্ট্রার অফিস থেকে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাদের সরিয়ে দেন।
এর আগে মঙ্গলবার দিনগত রাত পৌনে ১টার দিকে ছাত্রীদের হলে পৌঁছে দেন শিক্ষক ও ছাত্ররা। এর মাধ্যমে তাদের রাতের কর্মসূচি শেষ হয়।
এ সময় জাবির অধ্যাপক জামাল উদ্দিন বলেন, আমাদের রাতের কর্মসূচি শেষ হয়েছে। মিছিল সহকারে আমরা ছাত্রীদের নিজ নিজ হলে পৌঁছে দিয়ে এসেছি।
রাত ১০টায় উপাচার্যের বাসভবন সংলগ্ন রাস্তায় অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে যোগ দেন শিক্ষকরাও। এসময় আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন- সিনেট সদস্য আবুল কালাম আজাদ, আনোয়ার হোসেন মৃধা, ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন।
ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ভালোভাবে চলছে না। আজকের হামলায় সারাদেশ ধিক্কার জানাচ্ছে। আর যারা নির্বাহী আদেশে ভিসি হন, তারা নিয়মের তোয়াক্কা করেন না। আমরা একমত যে, উপাচার্যের পদত্যাগ করা উচিত। তার লজ্জা থাকলে তিনি পদত্যাগ করবেন।
দুর্নীতির অভিযোগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে মঙ্গলবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম আনুষ্ঠিনিক বন্ধ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ওইদিন বিকেল ৫টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে থাকা সব শিক্ষার্থীদের হলত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়।
ওই নির্দেশ অমান্য করে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণ ও আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বেগম সুফিয়া কামাল হল ও প্রীতিলতা হলের তালা ভেঙে বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা।
এদিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করায় ইতোমধ্যে অনেকেই আতঙ্কে ক্যাম্পাস ছেড়েছেন বলে জানা গেছে।




