
আবারও আলোচনায় বাঁশখালীর সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী। সোমবার চট্টগ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি অবস্থান কর্মসূচিতে হামলা চালায় তার অনুসারীরা। অভিযোগ, হামলার নেতৃত্ব দেন এমপির এপিএস তাজুল। যাতে আহত হোন মুক্তিযোদ্ধা-সাংবাদিকসহ অন্তত ২৫ জন। এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর আটক হয়েছে চারজন।
সোমবার বেলা বারোটার পরে এ হামলা হয় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে। সেখানে পূর্ব নির্ধারিত অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা। যাতে যোগ দেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগের নেতাকর্মীরাও। হঠাৎ মিছিল নিয়ে এসে কর্মসূচিতে হামলা চালান এমপি মোস্তাফিজুর রহমানের সমর্থকরা। অভিযোগ এতে নেতৃত্ব দেন এমপির এপিএস তাজুল ইসলাম।
প্রায় আধঘণ্টা ধরে এ হামলায় অংশগ্রহণকারীরা ছাড়াও আহত হন অন্তত ৫ সংবাদকর্মী। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ণ্ত্রণে আনে। এটা পরিকল্পিত হামলা বলে দাবি করেন মুক্তিযোদ্ধারা। এমপির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা।
এ ঘটনায় ২৬ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলছে পুলিশ।
গেল ২৬ জুলাই মারা যান বাঁশখালীর মুক্তিযোদ্ধা আলী আশরাফ। তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই দাফন এবং মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এমপির কটূক্তির প্রতিবাদে ডাকা হয় এই কর্মসূচি। তবে এসব ঘটনা নিয়ে বক্তব্যের জন্য চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি এমপি মোস্তাফিজকে।




