ঘাটাইল ডাক বাংলার সামনে রাস্তা যেন মরণফাঁদ

সংবাদদাতা, ঘাটাইল : টাঙ্গইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ঘাটাইল ডাক বাংলার সামনে রাস্তা যেন মরণ ফাঁদ ! ঘাটাইল উপজেলা পরিষদ থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মোড় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তায় ২/৩ ফুট গর্তের খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। এতে সাধারণ লোকজন চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট রাস্তার এই বেহাল দশার কথা বারবার জানিয়েও তাদের টনক নড়েনি।
টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ঘাটাইল পৌর সভার প্রধান সড়ক এটি। ঢাকাসহ উত্তরাঞ্চলের ১৭টি রোডের যানবাহন এই সড়কের ওপর দিয়ে চলে। এছাড়া এই সড়কের সঙ্গে ২৫টি সংযোগ সড়ক থাকায় প্রতিদিন কয়েক হাজার যান চলাচলা করে। রাস্তার অধিকাংশেই ২/৩ ফুট গর্ত হয়ে যাওয়ায় মালবাহী ট্রাক ও যাত্রবাহী বাস প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। এ মহাসড়ক ঘেঁষে উপজেলা পরিষদ, ঘাটাইল থানা, জনস্বাস্থ্য উপসহকারী-প্রকৌশলী অফিস, ডাক বাংলো, ডাকঘর ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ সব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকার্তা ও কর্মচারীদের নিয়মিত অফিসে যাতায়াতে নানা দুভোর্গ পোহাতে হচ্ছে।
এ ছাড়া ঘাটাইল গণ পাইলট মডেল বিদ্যালয়, ঘাটাইল এস.ই পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মুকুল একাডেমী উচ্চ বিদ্যালয়, ঘাটাইল দাখিল মাদ্রাসা ও একটি জি.বি.জি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ ১০/১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ মহাসড়কের পাশেই রয়েছে। এ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮/১০ হাজার শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করছে। অসংখ্য খানাখন্দে ভরা রাস্তার পাশ দিয়ে পায়ে হেঁটে ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলে যাওয়ার পথে যানাবাহনের চাকার পানি ছিটকে তাদের স্কুল ড্রেস নষ্ট হচ্ছে। এদিকে বেহাল দশা এ রাস্তার ওপর মাঝে মধ্যে কিছু পরিমাণ বালু ও ইট দিয়েই সংস্কারের কাজ শেষ করে চলে যায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ!
এ ব্যাপারে উপজেলা নিবার্হী অফিসার দিলরুবা আহমেদ জানান, এ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে। ঘাটাইল পৌরসভার মেয়র শহীদুজ্জামান খান (ভিপি শহীদ) বলেন, রাস্তাটি যেহেতু সড়ক ও জনপথ বিভাগের, আমি ইচ্ছা করলেই পৌরসভা থেকে কাজ করতে পারি না। তবে ঘাটাইল শহরের রাস্তার বেহাল এ চিত্র জেলা সমন্বয় সভায় তুলে ধরেছি।
সড়ক ও জনপথের নিকট ঈদের আগে রাস্তাটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছে ঘাটাইলবাসী।
ইত্তেফাক




