Uncategorized

গোবিন্দগঞ্জে জমি জবর দখল করতে অতর্কিত হামলা : থানায় অভিযোগ

গোবিন্দগঞ্জ প্রতিনিধি : গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জমি দবরদখল করতে প্রতিপক্ষের হামলার অভিযোগ দায়ের হয়েছে।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের পোগইল গ্রামের মৃত সৈয়দ আলীর ছেলে ওসমান গণির সাথে একই গ্রামের আঃ মান্নান (৫০) এর সাথে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল।এই বিরোধের জের ধরে আব্দুল মান্নান গংরা বিভিন্ন সময় ভয়-ভীতি,হুমকি ধামকি এবং জোর পূর্বক জমি দখল করার পায়তারা করে। উক্ত জমি পোগইল গ্রামের সব চেয়ে ভাল স্থানে দামী হওয়ায় কোন কিছুতেই পিছপা হচ্ছে না তারা। সিএস ও আর এস খতিয়ান ২৮১/২০১৯,৪৭৯/২০২০,৭২/২০২০ ওসমান গনীর স্বত্বদখলে থাকার পরেও জোরপূর্বক জমি দখলের পায়তারা করছে আঃ মান্নান,সিরাজ(৫৫) পিতা মৃত ছমির উদ্দিন,সাদা মিয়া(৪৫)পিতা মৃত লাল মিয়া,আঃ রশিদ(৫৫) মৃত আজিম উদ্দিন,সোহেল মিয়া(২০) পিতা সাদা মিয়া,মামুন(২৯) পিতা রশিদ,মাহবুর রহমান (৩০),বাবু মিয়া পিতা মৃত আঃ রহমান,এবং মান্নান, রশিদ ও সাদা মিয়ার স্ত্রী নার্গিস(৪২), মনোয়ারা(৪৮), জাহানারা(৩৮)। ওসমান গনী জানান,ভূমিলোভী,দাঙ্গাবাজ লোক গুলো বিভিন্ন সময় মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা এবং ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করিয়া আসিতেছে। আমি চাঁদা দিতে অস্বীকার করিলে আমাকে সহ আমার পরিবারের সবাইকে জীবনে মারার হুমকি দিয়ে আসিতেছিল।
তারি ধারাবাহিকতায় গত ৫/১১/২০ ইং তারিখে সকাল ১১টার সময় পূর্বপরিকল্পিত ভাবে আমার ভোগদখলকৃত জমি জোর পূর্বক দখলের জন্য দলবল নিয়ে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি সোটা নিয়ে অতর্কিত হামলা করে।
আমি এবং আমরা এতে বাঁধা দিতে গেলে আমাদের প্রানে মারা জন্য ধাওয়া করিলে জীবন বাঁচানোর জন্য পালিয়ে আসি। এ সুযোগে আমার জমিতে রোপন কৃত আলু ও বপনকৃত শরিষা ক্ষেত নষ্ঠ করে ৪০ হাজার টাকা ক্ষতি সাধন করে,বাশ ঝার হতে প্রায় ৩০ হাজার টাকা মুল্যের বাঁশ কেটে নিয়ে যায়। এবিষয়ে এলাকাবাসীর কাছে জানতে চাইলে একই গ্রামের মাসুদ রানা বলেন আমি জন্মের পর থেকে উক্ত জমিতে ওসমান গণীকে চাষাবাদ করতে দেখছি কিন্তু বর্তমানে ঔ জমি মান্নান সহ অরো অনেকে দাবি করিয়া আসিতেছে। আমার জানা মতে ঐ জমি ওসমান গণীর।
এঘটনায় গোবিন্দগঞ্জ থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। এঘটনায় থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম মেহেদী হাসান বলেন এ ঘটনায় এজাহার দায়ের হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button